ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

অনেকদিন আগে সর্ব রোগের ওষুধ বিক্রি হতো রাস্তার পাশে, বেচা কিনা ভালো। বিশ্বাসের জোরে রোগী অর্ধেক সুস্থ। বিচিত্র ঘটনা, ডায়াবেটিকস, ক্যান্সার আরও অনেক জটিল রোগ সারাতে এই ওষুধ কাজ করে এটা ওদের দাবি। এই ওষুধ গুলো আসলে কতোটা কাজ করে তা আমরা জানি না। অনেকের দাবি এই টাউট-বাটপারি ব্যাবসা বন্ধ করা দরকার। অনেক সময় ফেরিওয়ালার কাছে দাঁতের রোগ সারানোর অনেক ওষুধ পাবেন, যা দাঁতের ক্ষতি করে। গরিব মানুষরা খরচ বাঁচাতে হাতুড়ে ডাক্তার এর কাছে যায়, তাতে রোগ অনেক সময় সারে, আবার রোগী মারা গেলে, হাতুড়ে ডাক্তার উধাউ।

এমবিবিএস পাস করা ডাক্তাররা গ্রামে থাকতে চান না, কারন কি, বা এর সমাধান কি তা আল্লাহ ভালো জানেন, শুরুতে ডাক্তারদের গ্রাম থেকে কর্ম জীবন শুরু করা দরকার, তবে ডাক্তারদের সহযোগী কম্পাউন্ডাররা গ্রামের রোগীর সেবা করছে, কিন্তু তাদের জ্ঞান অনেক কম, তাদের ভুলের কারনে অনেক সময় রোগীদের জীবনের অনেক ক্ষতি হয়।

যারা এমবিবিএস পাস করা ডাক্তার, তাদের জীবন আছে, তাদের আয় উপার্জন দরকার, যাতে তারা চলতে পারে, বেশি উপার্জন করা, নিজের জীবনকে অরেকটু ভালো ভাবে চালানো, রোগীর সেবা করা, এটা তারা চান। আমাদের মধ্যে ধারনা ডাক্তারের কাজ শুধু সেবা করা, আর কি কাজ থাকতে পারে, কিন্তু ডাক্তাররা তো আর মেশিন না। ডাক্তারদের আরও অনেক চাহিদা থাকতে পারে। দেখা যায় অনেক সময়, রোগী মারা গেছে, কারন ডাক্তার অবহেলা করেছে, তাই ভাংচুর কর সব কিছু, মার ডাক্তারকে, আর এটা ভালো কাজ হতে পারে না। আমাদের সবার মধ্যে সহনশীলতা দরকার।

তবে আমাদের মধ্যে ডাক্তারি না জেনে ডাক্তারি করার অভ্যাস আছে, কোন সমস্যা হলে এন্টিবায়োটিক, বা অন্য ওষুধ সেবন, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ নেয়া, ধরা যাক রোগ ভালো হল, এই এন্টিবায়োটিক নেয়াতে শরীরের অন্য ক্ষতি করলো সেটা আপনি কীভাবে জানবেন, অনেক রোগীর অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক নেয়াতে রোগীর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে বা শরীরের অন্য কোন ক্ষতি করেছে বা এমন ক্ষতি করেছে যা তার জীবন সঙ্কটাপন্ন। প্রয়োজন সচেতনতার।

আল্লাহ ভালো জানেন, আমাদের কি করা উচিত, তবে অনেকটা বছর পার হলেও আমাদের দেশে ডাক্তারের সংকট কমেনি। আশা করা যায় সামনে এই সমস্যার সমাধান সরকারি – বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো শিক্ষা পরিকল্পনায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই সমস্যার সামাধান আশা করা যায়। আর টাউট-বাটপার এর বাটপারি কমার আশা করা যায়।