ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

ঢাকায় প্রবেশের পথে যেসব নদী আছে তাদের অবস্থা এত খারাপ তাদের নদী না বলে বড় নর্দমা বা ড্রেন বলা ভালো। একটা সময় মানুষ নদীর পানি ব্যবহার করত বিভিল্ল কাজে। নদী আমাদের জীবনের একটা অংশ বলা চলে। মালামাল, যাত্রী পরিবহন ব্যবসা বাণিজ্য বড় বড় হাটবাজার নদী কেন্দ্রিক ছিল। বর্তমানে বাংলাদেশের জলপথ অনেক কমে যাওয়ায়, কম খরচের জলপথ এখন অনেকটাই সঙ্কুচিত। নদীর নাব্যতা ধরে রখার জন্য দরকার ভালো নদী খনন করার যন্ত্র।

বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা নদীকে নদী না বলে নর্দমা বলা যায় কারন সকল প্রকার আবর্জনা নিষ্কাসনের পাইপ সরাসরি নদীর সাথে যুক্ত থাকায় এইসব নদীর মর্যাদা নর্দমায় উন্নিত। এক সময় ব্রিটেনে টেমস নদী দুষিত ও দুর্গন্ধময় ছিল, টেমস নদীর পানি শোধন করে তা খাবার পানির মতো পরিস্কার করা হয়। এরকম অনেক উদাহরন আছে। আমাদের দেশে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করে নদীর পানির দুষিত ও দুগন্ধময় পরিবেশ বদলানো যেতে পারে।

আগে মানুষ নদীর ধারে অথবা খোলা জায়গায় মল-মুত্র ত্যাগ করতো। বাংলাদেশ সরকার ও এন জি ও দের ধন্যবাদ দিতে হয়, কারন তারা বাংলাদেশে স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা নির্মাণ করতে সহায়তা করেছেন। কিন্তু তারপরও নদী দূষণ থামেনি। আগে মানুষের বর্জ্য নদী নালা খাল বিল দুষিত করতো। আজও ড্রেন অথবা কোন জায়গায় পাইপের মাধ্যমে সকল বর্জ্য নদীতে যায়। এ সকল বর্জ্য এর গন্তব্য হওয়া দরকার প্রথমে বর্জ্য শোধনাগারে তারপর বর্জ্য শোধনাগার থেকে পাওয়া বিশুদ্ধ পানি নদীতে সরবরাহ করা যায়।

সরকারী বা বেসরকারি উদ্যোগে বড় আকারে বর্জ্য শোধনাগার তৈরি করা যায়, আর এতে নদীর মর্যাদা নর্দমা হয়না। আল্লাহ আমাদের পানি দুষিত করার মাধ্যমে পানির অপচয় করা থেকে হেফাযত করুন।আমীন।