ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

দেশকে অস্থিতিশীল করে সকল অর্জনকে ধূলোয় মিশিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিনিত করার লক্ষ্যে দেশে আবারো পরিকল্পিত গুপ্তহত্যা শুরু করেছে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী চক্র। এ ষড়যন্ত্রের শেষ বলি হলেন চট্টগ্রামে জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে আলোচিত চৌকূষ পুলিশ কর্মকর্তা এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম। ৫ জুন ২০১৬ রবিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান ব্যস্ততম এলাকা জিইসি মোড়ের কাছে নৃশংস এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটায় সন্ত্রাসীরা। এসময় অল্পের জন্য রক্ষা পায় তাদের সাত বছর বয়সী ছেলে আক্তার মাহমুদ মাহির। এ হত্যাকান্ডের সময় মিতুর বয়স ছিল ৩২ বছর। মিতুর পিতা মো. মোশাররফ হোসেন একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায়। মিতুর ভাই মো. সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে মেজর পদে কর্মরত।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে জানা গেছে, ঘটনার সময় মিতু তার ছেলেকে স্কুলের বাসে তুলে দেওয়ার জন্য ওআর নিজাম রোড আবাসিক এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে হেঁটে জিইসি মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। বাসার গেট থেকে বড়জোর একশ’ গজ দূরে মোটরসাইকেল আরোহী তিন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। একজন মিতু’র বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করতে থাকে। আরেক ঘাতক মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য মিতুর বাম চোখ ও কানের মাঝামাঝি এলাকায় খুব কাছ থেকে রিভলবার দিয়ে গুলি করে। এরপর মোটরসাইকেল স্টার্ট করে তিন ঘাতক দ্রুত গোলপাহাড়ের দিকে চলে যায়। চালক ছাড়া অন্যদের মাথায় হেলমেট ছিল না বলে জানা গেছে।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকারীরা মিতুকে পর পর  ১০টি ছুরিকাঘাত করে। এরপর তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে খুব কাছে থেকে কানের কাছে গুলি করা হয়। সুরতহাল রিপোর্টে  অনুযায়ী, মিতুর শরীরের যেসব স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয় তা হল  মিতুর মাথার বাম ও ডান পাশে, বুকের মাঝখানে, কাঁধে, হাতের কনুই ও পিঠের মাঝখানেসহ ১০ বার ছুরিকাঘাত করেছে। দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মিতুর শরীরের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. কবির সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। পিবিআই কর্মকর্তা জানান, দুর্বৃত্তরা প্রথমে মোটরসাইকেল দিয়ে ধাক্কা দিয়ে মিতুর গতিরোধ করে। এরপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে তার সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা মিতুর শরীরের একের পর এক ছুরিকাঘাত করে। এ সময় মিতু রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তদের একজন খুব কাছে থেকে মিতুর কানের কাছে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

সিএমপি’র সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) বাবুল আক্তার সম্প্রতি পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাকে ঢাকায় পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এজন্য তিনি গত বুধবার থেকে রাজধানীতে অবস্থান করছিলেন। তিনি পরিবার নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় সংলগ্ন ওআর নিজাম রোড আবাসিক এলাকায় ইকুইটি সেন্ট্রিয়াম অ্যাপার্টমেন্টের অষ্টম তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন। তার সাত বছর বয়সী ছেলে মাহির চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। এছাড়া তাবাসসুম তানজিন নামে তাদের পাঁচ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সে নাসিরাবাদ এলাকায় চিটাগং জুনিয়র স্কুলে প্লে গ্রুপে পড়ে। বাবুল আক্তারের বাসায় সার্বক্ষণিক একজন গৃহকর্মী এবং পুলিশের একজন রানার (কনস্টেবল) থাকেন। মাহিরকে প্রতিদিন স্কুলের বাসে তুলে দেন রানার। তবে মাঝে মধ্যে মিতুও ছেলেকে বাসে তুলে দেন। গতকাল সাদ্দাম নামের পুলিশের ওই রানার ছুটিতে থাকায় মাহিরকে বাসে তুলে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন মিতু।

ইতমধ্যে দেশের মানুষ জানতে পেরেছে যে, সাহসিকতার সঙ্গে পুলিশের দায়িত্ব পালন করে এসেছেন বাবুল আক্তার। সততা, নিষ্ঠা আন্তরিকতা ও সাহসী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষের কাছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বাবুল আক্তারের ভূমিকা তাকে সবার সামনে তুলে ধরেছে একজন আদর্শ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে। ২০০৯ সালের নগরীর টাইগার পাস এলাকায় এক সন্ত্রাসী ধরতে গিয়ে অস্ত্রের মুখোমুখি হওয়ার পর প্রাণের ভয় না করে আসামীকে আটক করতে সফল হয়েছিলেন সেই সময়ের তরুণ সহকারী পুলিশ কমিশনার বাবুল আক্তার। এ কারণে তিনি পেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক বা পিপিএম (সাহসিকতা) ২০০৯। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রামুর বৌদ্ধমন্দিরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সরকারী তদন্ত কমিটির সদস্য ছিলেন বাবুল। তদন্ত অনুসারে হামলার ইন্ধনদাতা হিসেবে আরাকানি নেতা আবু ছালেহকে গ্রেফতারে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে ৫ অক্টোবর চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার খোয়াজনগর এলাকার একটি ভবনে জেএমবি আস্তানায় অভিযান চালাতে গিয়ে তিনি গ্রেনেড হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পান। এরপরও সেখান থেকে আটক করেন জেএমবি চট্টগ্রামের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ জাবেদকে। আস্তানা থেকে শক্তিশালী নয়টি হ্যান্ড গ্রেনেড, প্রায় ২শ’ রাউন্ড একে ২২ এর গুলি, একটি বিদেশি পিস্তল, ১০টি ছোরা, বিপুল পরিমান বোমা তৈরির সরঞ্জাম, অস্ত্র তৈরির মেশিন ও জিহাদী বই উদ্ধার হয়। ৬ অক্টোবর ভোরে নগর গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে আরেকটি অভিযানে গিয়ে গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত হয়। এর আগে নগরীতে থেকে অভিযান চালিয়ে বাবুল আটক করেন আরও চার জঙ্গিকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে দু’টি চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডেরও রহস্য উদঘাটন হয়। এর একটি হলো ২০১৫ সালে বায়েজিদে শেরশাহ ন্যাংটা ফকিরের মাজারে ঢুকে কথিত পীরসহ দু’জনকে গলা কেটে হত্যা। আর অন্যটি হলো কোরবানির আগের দিন সদরঘাট বাংলাবাজার এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণের দুই ছিনতাইকারি নিহত ও এক ব্যবসায়ী হত্যা।

জঙ্গিবাদ ও অপরাধ দমনে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বাবুল আক্তার ২০০৮ পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পিপিএম (সেবা) , ২০০৯ পিপিএম (সাহসিকতা), ২০১০ সালে আইজিপি ব্যাজ, ২০১১ সালে পুলিশের সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল পুরস্কার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (সাহসিকতা)। বেসরকারি পর্যায়ে ২০১২ সালে সিঙ্গার-চ্যানেল আই (সাহসিকতা) পুরস্কার লাভ করেছেন বাবুল আক্তার। এর মধ্যে চারবার অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের সেরা সহকারী পুলিশ সুপারের মর্যাদা। চলিত বছরের এপ্রিল মাসে পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতিও পেয়েছেন এসপি বাবুল আক্তার। সেই বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম শিশুপুত্রকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় সেই পুত্রের সামনেই নৃশংসভাবে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিহত করার পেছনে জোরালো ভূমিকা রাখার কারণেই বাবুলের স্ত্রীকে এই নির্মম পরিণতির শিকার হতে হলো বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড তাজা গুলি ও এক রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। এছাড়া পাশের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। তবে গতকাল রাত নয়টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করার খবর পাওয়া যায়নি। চলতি বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম সিদ্দিকী, টাঙ্গাইলে হিন্দু দর্জি নিখিল চন্দ্র জোয়ারদার, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সন্তগৌরীয় মঠের অধ্যক্ষ যজ্ঞেশ্বর রায় এবং গতবছর আশুলিয়ায় পুলিশ হত্যা, দিনাজপুরে ইতালীয় এক পাদ্রীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনাতেও হামলাকারী ছিল তিনজন। তারা মোটরসাইকেলে আসে, অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ছুরি, চাপাতি ও পিস্তল। আর এ নৃশংস হত্যাকান্ডটিও একই ধরনের। তাই নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি এই হত্যাকান্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।

এ ব্যাপারে পিবিআই চট্টগ্রাম প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বশির আহমেদ খান জানান, পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রীর হত্যাকাণ্ডের ধরন জঙ্গিদের দ্বারা সংঘটিত আগের হত্যাকাণ্ডগুলোর সঙ্গে মিল রয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। খুনিদের ধরতে ইতিমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। খুনিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ, সিআইডি ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ১০টি টিম ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে। এ ছাড়াও সাধারন মানুষ যদি কোন তথ্য দিতে পারে সে জন্য তিনি সবার সহযোগিতার  আহ্বান জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার ভোর ৩টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার শুলকবহর বড় গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। যার নম্বর চট্ট মেট্রো-ল-১২-৯৮০৭। পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুলকবহর বড় গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে এ ঘটনায় তিনজনের বিবরণ উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। রবিবার সকালে মাহমুদা খানম মিতুকে নগরীর ওআর নিজাম রোডে ছুরিকাঘাতসহ গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এরপর তারা মোটরসাইকেলে করে দ্রুত পালিয়ে যায়।  সর্বশেষ খবর অনুযায়ী এ নৃশংস হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার কর জিজ্ঞাসাবাদ করছে। চট্টগ্রাম পুলিশের উর্ধতন কর্মকতারা আশা করছেন খুব দ্রুতই এই নৃশংস হত্যাকান্ডে জড়িত খুনিদের গ্রেফতার করতে সক্ষ হবে। আমরা দেশের্ সাধারণ মানুষও চাই দুর্বৃত্তদের সহসাই গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করে মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। একই সাথে তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইসরাইলের গোয়েন্দার সংস্থা মিলে এদেশকে কারা জঙ্গিরাষ্ট্র বানাতে চায় এদেশীয় সেসব মাস্টারমাইন্ডদের গ্রেফতার করে যথপোযুক্ত বিচারে ব্যবস্থা করলেই সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় নিহত বাবুল আক্তারের স্ত্রীর আত্মা শান্তি পাবে।

শেষ করতে চাই এই বলেই যে, এই কাপুরুষোচিত নৃশংস হত্যাকান্ডের নিন্দা জানানোর ভাষা জানা নেই। এমন হত্যাকান্ডের ঘটনায় দেশের বিবেকবান সকল মানুষ শোকে বিমূঢ় হয়ে গেছে। কেননা, দেশে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিবারের ওপর হত্যাকান্ডের ঘটনা এটিই প্রথম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে আইনশৃংখলা বাহিনীর ক্রমবর্ধমান সাফল্যের কারণে তাদের মনোবল ভেঙে দেয়ার জন্যই এ ধরনের মানবতাবিরোধী হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। এমন কাপুরুষোচিত দু’একটা ঘটনা ঘটিয়ে যদি সন্ত্রাসী জঙ্গিগোষ্ঠী মনে করে থাকে যে, এভাবেই তারা লক্ষপ্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিনত করবে, তা হলে তারা বোকার রাজ্যে বসবাস করছে। বরং তাদের এমন দেশ ও মানবতাবিরোধী হত্যাকান্ডে মানুষের মনে যে ঘৃণা ও ক্ষোভ পুঞ্জিভূত হচ্ছে এ ক্ষোভের আগুনেই একদিন এ গোষ্ঠী জ্বলেপুড়ে ছাঁই হয়ে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে শেষ হবে অপরাজনীতি ও অপরাজনীতির নাটের গুরুরাও।