ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সুজলা-সুফলা আমাদের দেশ বাংলাদেশ,সরকারের নাম গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১৯৭১ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ্য শহীদের রক্ত ও কয়েক লক্ষ্য মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশে স্বাধীনতার লাল টকটকে সুর্য উঠে।একটা অপশক্তি ঐ সময়ই চেষ্টা করেছিল যাতে ঐ সূর্যটি বাংলার পশ্চিমাকাশে কোনদিন উদিত না হতে পারে।শুধু তাই নয় তার পর থেকে তারা চেষ্টা করে আসছে, ওই সূর্যটিকে ডুবিয়ে দিতে।এরা কারা-বাংলার জনগন এদের খুব ভালো করেই চেনে,এরা হচ্ছে গোলাম আযম-নিজামী-মুজাহিদের দল জামায়েতে ইসলামী। ক্ষমতার প্রলোভনে পড়ে এই দলটির সাথে এসে যুক্ত হয়েছে বিএনপি।

এরা এখন বাংলার ধর্মভীরু জনগনকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে দেশকে মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিনত করার চেষ্টায় রয়েছে। দেশে যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরু হয়েছে তখন এরা পাগলা কুকুরের মত ক্ষেপে গিয়েছে।কি করবে বুঝে উঠতে পারছেনা। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের চক্রান্ত শুরু করেছে, কারন তারা আজ জানে ক্ষমতায় না যেতে পারলে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির হাত থেকে বাঁচানো যাবেনা। এজন্য তারা জনগনের দোহাই পাড়তে শুরু করেছে।জনগন নাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়না, তাদের নাকি ষড়যন্ত্র করে আটক করা হয়েছে ইত্যাদি আরো কত কি, এরকম কথা সাধারনত পাগল না হলে মানুষ বলে না। আরো বিভিন্ন ধরনের প্রলাপ বকতে শুরু করেছে।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করেছে, যা ইতিহাসে নজিরবিহীন। তখন ধর্মীয় কারণে সংখ্যালঘুরা সর্বক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছে। মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর সংবিধান সংশোধন করে ধর্ম নিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সকল ধর্মের সমান অধিকার সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

আমাদের দেশ হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খৃষ্টান প্রভৃতি ধর্মাবলম্বীর দেশ। সবাই এখানে মিলে মিশে পাশাপাশি বাস করে। কিন্তু জামাত-বিএনপি এখানে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য জনগন পাকিস্তান ভাঙ্গেনি নিশ্চয়। জামাতকে ঠেকাতে দরকার হলে আরেকটি রক্তগঙ্গা বইয়ে দেয়া হবে তারপরও জামায়াতকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া হবেনা।