ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 
b

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, ফলপ্রশু গবষেণা, বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ন মতামত এবং বাস্তবসম্মত দূরদর্শীতা ব্যতিত রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থার বড় আকারের পরিবর্তন ঘটানোর বিষয়টি কোন রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্যই সুখকর না হওয়াটাই স্বাভাবিক।

সে কারনেই এই যে তাড়াহুড়া করে দ্রুততার সাথে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণ নামে দুটি ভাগে ভাগ করার বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে সেটি ঐ বিষয়গুলোর পরিপূর্ণ আলাকে কি আদৌ হয়েছে? তা মনে হয়না। আর না বলেই সুশীল সমাজ, বিরোধী দল এবং অনলাইন অনেক ব্লগার এই হুটহাট করে এমন একটি জনগৃরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহন করছে না।

এই দুইভাগের বিষয়ে অনেক বিশেষজ্ঞরাই অনেক দিক পুনঃ পুনঃ বিশ্লেষন করে দেখাচ্ছেন। কিন্তু সরকার অনড়। তবে আমার এই লেখার আলোচ্য বিষয় ঢাকা সিটি কর্পোররেশনের ভাগ নিয়ে নয়। তবে তাড়াহুড়া করে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন করলে কি সমস্যা হয় তার একটা ছোট উদাহরণ দেয়ার মানসে এই লেখার ক্ষুদ্র প্রয়াস।

এই বিষয়ে খুব কাছ থেকে দেখা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড এর বিষয়টা একটু টানা যায়। ভূতপূর্ব বিটিটিবি বা সংক্ষেপে টি এন্ড টি এর অনেক অনেক দূর্নাম, দূর্ণীতি, গ্রাহক হয়রানির কুখ্যাতি, ভূতুড়ে বিল ইত্যাদি সমস্যা আলোচিত ছিল। একদিকে টেলিকম প্রযুক্তি হু হু করে দিনকে দিন উন্নত প্রযুক্তির মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে অথচ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, আইনের দীর্ঘসূত্রিকা , পদ্ধতিগত ডিলেমা এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ভ্যারিয়েশন ইত্যাদি কারনে সরকারী ঐ বোর্ডের পক্ষে সেই প্রযুক্তির অবিশ্বাস্য গতির সাথে তাল মিলিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ইমপ্লিমেনটেশন খুব ধীর গতিতে হচ্ছিল।

একটা নতুন প্রকল্প হাতে নিলে সেটা অনুমোদ করিয়ে বাস্তবায়ন করতে যে দীর্ঘ সময় লেগে যেত তার আগেই আরেক প্রযুক্তি চলে আসত। ফলে টেলিকম সেক্টরের অন্যতম সেই সময়কার বিটিটিবি প্রযুক্তির দৌড়ে পিছে পড়ে যাবার ভয় দেখা যায়।

প্রাইভেটাইজেশন করলে অর্থাৎ কোম্পানীতে রূপান্তর করলে এইসকল ডিলেমা থাকবেনা, দূর্ণীতি বিদূরীত হবে। এমনটাই ছিল হয়তো ভাবনা। তাছাড়া প্রাইভেটাইজেশন করার জন্য বিদেশের চাপ থাকত বারবার।

ল্যান্ড ফোনের মনোপুলি বিটিটিবির থেকে মুক্ত করতে অনেক অনেক পিএসটিএন লাইসেন্স দেয়া হয় (যাদের চিহ্ণ আর দেখা যায়না, কারন ভিওআইপিতে জড়ানো এবং রাজনৈতিক ইচ্ছা)। বিটিটিবির অধীনে টেলিটক সৃষ্টি করা হয় কিন্তু সেটাও মোবাইলের ক্ষেত্রে সেই দীর্ঘসূত্রিতা ও নানান সরকারী জটিলতার টানে প্রাইভেট মোবাইল কোম্পানীগুলোর সাথে প্রযুক্তির দৌড়ে হেরে যাচ্ছিল।

ইতোমধ্যে ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারায় প্রযুক্তির একটা নতুন দ্বার উন্মোচন হলো , যেটা আরও ১৫ বছর আগেই হওয়া যেত।

এবার আসি মূল কথায় , কোন নির্বাচিত সরকার সেই বিদেশি চাপের ফলেও বিটিটিবিকে কোম্পানী করতে পারলনা। পারল কে ১/১১ এর অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালিন সরকার। তারা একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিটিটিবিকে ২০০৮ সালের ১লা জুলাই হতে বিটিসিএল নামক কোম্পানী তে রূপান্তর করল এবং যা সেই তাড়াহুড়া করে, অসুষ্ঠুভাবে। আবার পরবতীতে নির্বাচিত সরকার অধ্যাদেশটাকে জাতীয় সংসদে পাশ করিয়ে দিল। আমাদের পাশ্ববর্তী তিনটি দেশেও( ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা) আরও আগেই সরকারী ল্যান্ডফোন প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোম্পানীতে রূপান্তর করেছে এবং তারা যেহেতু সুষ্ঠু পরিকল্পনার মধ্যে দিয়ে সেটা করেছে তাদের সেই প্রাইভেটাইজেশন কিন্তু একটু হলেও ফলপ্রসূ হয়েছে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট উল্লেখ করব যেগুলো এই কোম্পানীতে রূপান্তর বা প্রাইভেটাইজেশনের সময় তাড়াহুড়া করায় সুনির্দিষ্ট চিন্তা প্রসূতভাবে হয়নি বিধায় আজও সমস্যা হয়েই রয়েছে—

(১) বিটিটিবিকে ভেঙে তিনটি আলাদা কোম্পানী করা হলো, বিটিসিএল, টেলিটক এবং বিএসসিসিএল (সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী)। এটা করে প্রথমেই বিটিসিএল এর স্ট্রেন্থকে দূর্বল করে দেয়া হলো। এমনেতেই মোবাইলের কারনে ল্যান্ডফোনের ব্যবসা হওয়ার কথা কম।

(২) বিটিটিবির সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারী এবং সম্পদ এবং সকল দায় দেনাও প্রদান করা হলো বিটিসিএলকে। এখানে বিবেচনা করা হলোনা যে বিটিটিবির কর্মকর্তাগণ বিসিএস ক্যাডার অফিসার যারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী , এদেরকে কোম্পানীতে চাইলেই পাঠানো যায় না। অথচ সম্পূর্ণ অসংবিধানিকভাবে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের দুইবছরের জন্য বিটিসিলে কাজ করার বাধ্যবাধকতা অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়। একজন সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তার বেতন বিল রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে পাওয়ার আইন থাকলেও এই টেলিকম ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কোন রূপ প্রেষন বা লিয়েন ছাড়াই কেবল অধ্যাদেশের আদেশ বলে কোম্পানী হতে বেতন বিল নিতে বাধ্য করা হয়েছে এবং আজ অবধি তাই চলছে।

যে কারনে আজ তিন বছর পার হবার পরেও কর্মকর্তাদের চাকুরির জটিলতা এবং অবস্থান সুনির্দিষ্ট হয়নি। নিজেদের চাকুরির অধিকার আদায়ের জন্য তাদের যেতে হয়েছে আদালতে। উচ্চ আদালত তাদের পক্ষে রায় দিয়ে বলেছে সরকারী পদে তাদের এবজরভ করে নিতে যার বিপরীতে সরকার আপিল করেছে এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে রায়ের জন্য সেটি দীর্ঘ কিউয়ে পড়ে আছে।

(৩) কর্মচারীদের মধ্যে একদল রেগুলার সরকারী কর্মচারী, একদল ওয়ার্কচার্জড আবার একদল ক্যাজুয়াল কর্মচারী। সবাই যে যার অধিকার আদায় নিয়ে আন্দোলন করে চলেছে অদ্যাবধী। তাদেরও কয়েকটা মামলা আদালতে ঝুলছে।

(৪) বিটিসিএল কোম্পানী হিসেবে ফলে আজও সত্যিকার অর্থে সম্পুর্ণ মাথা চারা দিয়ে উঠতে পারেনি। কারন উদ্ভুত বড় সমস্যাগুলোর সমাধান হয়নি। কোম্পানী বিটিটিবির কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবস্থান সৃনির্দিষ্ট না করতে পারায় নতুন কোন ওরগ্যানোগ্রাম এবং কোম্পানীর নিজস্ব বেতন স্কেলও অফিসিয়ালি ঘোষনা করা হয়নি।

(৫) বিসিএস টেলিকম ক্যাডারের এন্ট্রি লেভেল অফিসার বর্তমানে বিটিসিএল এ কর্মরত মাত্র ৫০ থেকে ৬০ জনের মত। অথচ এক্সচেঞ্জের সংখ্যা সারাদেশে ৫০০+ । কোম্পানী নিজস্ব নতুন অফিসার নিয়োগ করলে বিটিটিবি থেকে অধ্যাদেশের বলে চাকুরিরত ক্যাডার অফিসারদের সাথে অবস্থান, পোষ্ট, কার্য়পরিধি এবং বেতন বৈষম্যর কারনে এক অসম অবস্থার সৃষ্টির সম্ভবনায় নতুন নিয়োগও প্রশ্নবিদ্ধ। (যদিও নতুন ৬০ জন সহকারী ম্যানেজার টেকনিক্যাল নিয়োগ পক্রিয়াধীন।)

(৬) বিটিসিএল এর অধিকাংশ এক্সচেঞ্জের বয়স বেশ অনেক বছর হয়ে যাওয়ায় এক্সচেঞ্জ সমূহের যুগোপযোগী পরিবতর্ন করা অনেকাংশে জরুরী। নতুন কোম্পানীর জন্য এটা একটা বাড়তি প্রাথমিক ভার যেখানে আবার নতুন কোম্পানী আদৌ পূর্ণ কোম্পানী হিসেকে আজও সচল হয়নি।

(৭) কোম্পানী হয়েছে ঠিকই কিন্তু কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদ এখনও রয়ে গেছে আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থায়। কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের সচীব। তিন একই সাথে এই মন্ত্রনালয়ের অধীন টেলিটক, বিএসসিসিএল, টেশিস এরও চেয়ারম্যান। একজন সচীব তার মন্ত্রনালয়ের গুরু দায়িত্বের সাথে আরও এতগুলো কোম্পানীরও মাথা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

(৮) বিসিএস টেলিকম ক্যাডারটি অবিলুপ্ত করা হয়নি অথচ এই ক্যাডারে নিয়োগও বন্ধ। তড়িৎ কৌশল এবং কম্পি্উটার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য পিউর প্রোফেশনাল ক্যাডার ছিল এই একটি। এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে এসে বিসিএস চাকুরির প্রফেশনাল অংশে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পেছেনে প্রয়োজনীয় মুখ্য দুইটি বিষয়ে ডিগ্রীধারাই উপেক্ষিত হয়ে যাচ্ছে। ( গুজব আছে আইসিটি ক্যাডার নামে নতনু একটি ক্যাডার হতে পারে, সেটা হলে এই পয়েন্টটি নালিফাই হলেও হতে পারে।)

এই হলো অবস্থা। বিটিসিলে চাকুরি করছে বিটিটিবির যে বিপুল জনবল তারা নিজেদের চাকুরির অবস্থান নিয়ে অনিশ্চিত। যেখানে সারা পৃথিবী জুড়ে মটিভেশন শব্দটি আজ ব্যাপক আলোচিত এবং প্রয়াজনীয় হিসাবে চাকুরির ক্ষেত্রে বিবেচিত হয় সেখানে চাকুরির ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চিত ব্যক্তিগণ বিশেষ করে যারা জুনিয়র তাদের অতিমাত্রায় অনিশ্চিত চাকুরির অবস্থান কে মেনে নিয়ে একটি নতুন কোম্পানীকে উন্নত করার বিষয়টা কিন্তু অতটা সহজ সাধ্য নয়। বিটিসিএল এর জন্য এটা একটা দূর্বল দিক।

এসবের উপর তো আছে ভিএআপি নামক এক প্রযুক্তি বিভিষিকা। ভিওআইপিতে জড়িত অভিযোগ অন্যান্য অপারেটরেরর মত বিটিসিএলের নামও আসছে বারবার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ।
সাম্প্রতিক এমন একটি খবর ‘ভিওআইপির অবৈধ কারবার বেড়েছে’ প্রকাশিত হয়েছে ২৯শে নভেম্বরে কালের কণ্ঠ পত্রিকার পাতায়। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে–

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গত ২২ নভেম্বরের বৈঠকে বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবু সাইদ খান অভিযোগ করেন, ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসায়ীরা তাঁদের কম্পানিতেই রয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতাধর হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে কিছু করা যাচ্ছে না। তিনি নিজেও হুমকির মুখে রয়েছেন বলে জানান।

দৈনিক প্রথম আলোতে ৩০শে নভেম্বর ২০১১ এর সংখ্যায় ’অবৈধ ভিওআইপি করছে বিটিসিএল’ শীর্ষক একটি খবরও প্রকাশিত হয়েছ। এবই পত্রিকার ১লা ডিসেম্বর ইস্যুর সম্পাদকীয় পাতায় ‘অবৈধ ভিওআইপি‘ শিরোণামের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে-

বিটিসিএলের অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে যেখানে খোদ টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ শুধু একটি চিঠি দিয়ে দায়িত্ব শেস করবে কেন?

অথচ বহু আগে থেকেই শুনে আসছি ভিওআইপিকে উন্মুক্ত করা হবে। ১৭ই মে ২০১০ এর দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের ‘জুনের মধ্যে উন্মুক্ত হচ্ছে ভিওআইপি’ শিরোণামের এক আর্টিকেল থেকে জানা যায়–

আগামী জুনের মধ্যে ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। জুলাইয়ে আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ভিওআইপির মাধ্যমে কল আদান-প্রদানের লাইসেন্স দেওয়া হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু গতকাল এ তথ্য জানিয়ে বলেন, এ জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে।

গত বছরের জুন গেছে তারপর এ বছরের জুনও গেছে , কিন্তু কই অবস্থা তো সেই একই রকম। পাশের ভারতেও ভিওআইপিকে একটা নির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে—-

Voice over IP over a managed network is allowed – essentially a leased line and so on. So many companies get you to lease an IPLC from say Bangalore to Singapore and terminate in Singapore.

বিভিন্ন দেশের ভিওআইপির অবস্থা সম্পর্কে আমরা একটা ধারনা নিলে দেখব উন্নত বিশ্বে এগুলো এখন উন্মুক্তই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে।

ভিওআইপির এত দৌড়াত্মের খবর নিয়মিত বিরতিতে পত্রিকায় পাওয়া যায় কিন্তু সময়োপযোগী কোন যথার্থ সমাধান কিংবা এটাকে আইনের আওতায় উন্মুক্ত করা হচ্ছে না। এখানেও একটা কুয়াশার আবির্ভাব।

পরিশেষে বলতে চাই একদা টিএন্ডটি বা বিটিটিবিই ছিল টেলিযোগাযোগের একমাত্র নিয়ন্তক। হয়তো মনোপুলি ছিল কিন্তু দেশের টেলিযোগাযোগের সূচনা তো এর হাত ধরেই। তারউপর টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে এত বিশাল ইনফ্রাস্টেকচার এবং এত বেশী স্থাপনা আর কোন টেলিযোগাযোগ রিলেটেড প্রতিষ্ঠানের আজও নেই। অথচ অচিন্তিতভাবে কোম্পানী করায় এবং কোম্পানী অসম্পুর্ণভাবে চালু হওয়ায় সরকার এই বিশাল সম্পদ সরকার পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারছেনা।

একারনে এমন বড় সিদ্ধান্তগুলো নেয়ার আগে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো গুছিয়ে নিলে সমস্যাগুলোও তৈরী হয়না এবং সরকার লাভবান হয় সত্যিকার অর্থে ফলে এগিয়ে যায় দেশে এবং দেশের মানুষ।