ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

চারপাশে সমস্যার সংখ্যা এতই ব্যাপক এবং বিস্তৃত কলেবরের যে অনেক নিচের দিকের মানে ছোটখাট সমস্যাগুলো আর আমাদের ভাবিত করছেনা। সে কারনে যে বিষয়টি তুলে ধরতে এই লেখার উদ্দেশ্য সেটিও হয়তো ঠিক এই সময়ে আরো বড় বড় সমস্যার কাছে খুবই নস্যি। কিন্তু আসলে কী আমাদের বর্তমান কোন সমস্যাই বিচ্ছিন্ন কিছু? নয় তা বরং অবশ্যই ইন্টাররিলেটেড। সমাধান সে কারনেই ফলপ্রশু হয়ে উঠেনা ব্যাপক এবং যথার্থ পর্যায়ে।

ঢাকার রাজপথে এখন যত্রতত্র দেখা মেলে অ্যাশ বা ছাই রঙা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা বা সংক্ষেপে যাকে সিএনজি বলে চিনি আমরা। পাবলিক এই ট্রান্সপোর্টটি যখন ভাড়ায় চালিত হয় তখন তার অনুমোদিত রঙ সবুজ, কিন্তু সাধারণ কেউ প্রাইভেট হিসাবে এটা ব্যবহার করলে প্রাইভেট লিখে গায়ের রঙ ছাই করে নেয়।

গত মাসে মানে ফেব্রুয়ারীর ২০ তারিখ , রাত তখন ১২টা বাজে। বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকার সেই যুগান্তকারী বিজয় ম্যাচ দেখে মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে জনসমুদ্রের নিচ্ছিদ্র গুতোগুতি ঠেলে ১০ নম্বর গোল চত্বরে পৌঁছে ভাবছি কেমন করে যাব গুলশান লিংক রোড। কতগুলো সিএনজি দাঁড়ানো- বেশিরভাগই সবুজ , দুএকটা ছাই রঙা। সবুজ একটাকে বললাম -জনালো যাবেনা। ছাই রঙা একটার গায় প্রাইভেট লেখা -সে রাজী হলো, তবে ভাড়া গুনতে হবে ৩০০, তাও গুলশান ১ নম্বর পর্যন্ত মাত্র। চারদিকে উন্মত্ত জনসমুদ্র। উঠেই পড়লাম। কিছু উশৃংখল আনন্দ উত্তেজনায় বিবেক বর্জিত সতীর্থ দর্শক রাস্তার মাঝে ছেড়া কাপড়ে আগুন ধরাচ্ছে, কেউ পানি ছিটাচ্ছে। কেউ গাড়ীর সামনে পথ রোধ করে নাচছে। ওদিকে ক্যান্টনমেন্টের রাস্তা এত রাতে বন্ধ হয়ে গেছে। টুকটুক করে এগিয়ে চলেছি বিজয় স্মরণীর দিকে…কিন্তু তখনই মনে হলো এত রাতে প্রাইভেট সিএনজি এই সুযোগসন্ধানী খেপ মারতে কেনো এল- বললাম, তোমার মালিক জানে? সে উত্তর দেয়নি। তবে রাস্তার নানান অবরোধ আনন্দ উংশৃংখলতা এড়িয়ে সে আমাকে গন্ত্যবে বেশ তাড়াতাড়িই পৌঁছে দিয়েছিল। মাঝে কাজী পড়ার মোড়ে সামনের এক মোটরসাইকেলের পেছনে বসা এক নারীকে পানিতে ভিজিয়ে দিতে গিয়ে একপাল উশৃংখল যুবকের ছুড়ে দেয়া পানি সিএনজির ভেতর ছুটে আসায় কিছুটা ভিজলাম। আমি হাসলাম। মোটর সাইকেলের পেছেনে থাকা ভেজা শরীরে পিঠে ফুটে উঠা অন্তর্বাসের দিকে আমারও চোখ গেলো একবার এবং দেখলাম মহিলা এবং তার স্বামীর করুন মুখ এবং ছুটে পালানোর দ্রুত মেটারসাইকেল গতি।

সে যাক ..সেদিনের পর প্রাইভেটে সিএনজি খালি চোখে পড়ে সর্বত্র। তারপর জানলাম আসল বিষয়। প্রাইভেট লেখা হলেও সেগুলোর অধিকাংশ নাকি আদতে প্রাইভেট নয়, বরং প্রাইভেট নামের আড়ালে আর সকল সবুজ সিএনজির মতই ভাড়ায় চালিত। ভাড়ায় চালিত সিএনজির অনুমোদন দেয়া হয়না তাই এই প্রাইভেটের আইনী ফাঁকটিকে ব্যবহার করছেন একদল এ দেশীয় অতি বুদ্ধিমান।

গত ২২শে ফেব্রুয়ারী দৈনিক মানবজমিনের ভাড়ায় চলছে প্রাইভেট সিএনজি শিরোণামের এক প্রতিবেদনে আমার সেই অধুনা জানা বিষয়টির স্পষ্ট প্রতিফলন দেখলাম-

একজন সাধারণ সিএনজিচালক বলেছেন, প্রায় প্রতিদিনই ধূসর রঙের প্রাইভেট লেখা নতুন সিএনজি রাস্তায় নামছে ভাড়ায় যাত্রী বহনের জন্য। প্রাইভেট লেখা একটি কৌশল। প্রাইভেট লেখা থাকলে রুট পারমিটের প্রয়োজন হয় না। সরকারকে রুট পারমিটের রাজস্বও দিতে হয় না। মিটারের যাত্রী বহনের দায়ও থাকে না। এ কারণে নতুন নতুন প্রাইভেট সিএনজি রাস্তায় নামছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী শহরে ভাড়ায় যাত্রী বহন করছে প্রায় আড়াই হাজার প্রাইভেট সিএনজি। যাত্রীবাহী সিএনজির চেয়ে প্রাইভেট সিএনজির রেজিস্ট্রেশন পাওয়া সহজ বলে পরিবহন ব্যবসার জন্য মালিকরা প্রাইভেট সিএনজির রেজিস্ট্রেশন নিয়ে অবৈধভাবে ভাড়ায় যাত্রী বহন করে চলছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পুলিশ প্রাইভেট সিএনজির যাত্রী বহন দেখেও না দেখার ভান করে।

মূল কারন এবার বোঝা গেলো। ঐ প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়েছে-

প্রাইভেট লেখা সিএনজির প্রায় নব্বই ভাগের মালিক পুলিশের লোক। মিটার রিডিং অনুসারে ভাড়া নেয়ার বিধান আছে যাত্রীদের কাছে থেকে। সে আইন মানে না বেশি ভাগ সিএনজিচালক। ভাড়া নেয় ইচ্ছেমতো। সমপ্রতি সময়ে রাজধানী শহরের বিভিন্ন মোড়ে ট্রাফিকের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে মিটার ছাড়া যাত্রীবহন হচ্ছে কিনা সেটা দেখার জন্য। ভাড়ায় যাত্রী বহনের অনুমতিপ্রাপ্ত সিএনজিগুলো মাঝে-মধ্যে চেক করে পুলিশ কিন্তু রুট পারমিটহীন প্রাইভেট সিএনজিগুলোকে চেক করা হয় না। জানা গেছে, ওই সব প্রাইভেট সিএনজির বেশির ভাগের মালিক ঢাকায় কর্মরত পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা বলে সেগুলোর দিকে নজর দেয় না পুলিশ

সামহয়্যার ইন ব্লগে সািকল খান নামে এক ব্লগার লিখেছেন –

ঢাকা শহরে প্রাইভেট নামক সিএনজি ও প্রতারণার নতুন ফাঁদ।
একটি সিএনজি ঢাকা শহরে নামাতে বর্তমানে খরচ প্রায় ১০ লাখ টাকা সেখানে প্রাইভেট নামধারী (অবাণিজ্যিম) সিএনজি নামাতে খরচ ৪ লাখ টাকার কিছু ওপরে।

আরও একটু বিস্তারিত কলেবরে দৈনিক সকালের খবরেরপ্রাইভেট সিএনজি চালিত অটোরিকশা এখন ভাড়ায় শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায় –

যাত্রী পরিবহনে সিএনজি চালিত অটোরিকশার রং সবুজ। আর প্রাইভেট সিএনজি চালিত অটোরিকশার রং অ্যাশ। অ্যাশ কালারের এসব অটোরিকশা সবুজ রং করে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে। সম্প্রতি সিএনজি চালিত অটোরিকশার মিটারে না যাওয়া এবং চুক্তি ভাড়া আদায় রোধ করার লক্ষ্যে পরিচালিত বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত কয়েকটি প্রাইভেট অটোরিকশা আটক করেন।

২০০২ সালে নগরীতে পেট্রোল চালিত থ্রি হুইলারের পরিবর্তে গ্যাস চালিত অটোরিকশা প্রবর্তন করা হয়। কয়েক দফায় ১৩ হাজার অটোরিকশা রাস্তায় নামে। এসব অটোরিকশার ইকোনমিক লাইফ ধরা হয় ৯ বছর। এর মধ্যে চীন, থাইল্যান্ড ও পাকিস্তান থেকে আনা অটোরিকশাগুলো মালিকরা বেশিদিন চালাতে পারেনি। ফলে এ রকম প্রায় ১ হাজার অটোরিকশা প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। মালিকদের আবেদনে এ রকম প্রায় ৪০০ অটোরিকশা অকেজো ঘোষণা করে স্ক্র্যাপ করে ফেলা হয়। এগুলোর বিপরীতে ৪০০ সিএনজি চালিত অটোরিকশা প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। আরও ৬০০ অটোরিকশা প্রতিস্থাপন করা হবে। অন্যদিকে এ বছরই আরও প্রায় দেড় হাজার অটোরিকশার নির্ধারিত ৯ বছর মেয়াদ শেষ হবে। এসব প্রেক্ষাপটে রাস্তায় অটোরিকশা সঙ্কট দেখা দেয়। এই সুযোগে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রেজিস্ট্রেশন দেওয়া অটোরিকশাগুলো রং পরিবর্তন করে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে।

দেখা যাচ্ছে আমি না জানলে কি হবে এ বিষয় নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে এবং হচ্ছে। দৈনিক সমকালে গত ১৮ই মার্চ প্রাইভেট শীর্ষক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে-

নগরী ছেয়ে গেছে প্রাইভেট সিএনজি অটোরিকশায়। এসবের মূল লক্ষ্য যাত্রী বহনের মাধ্যমে বাণিজ্য। বিভিন্ন রঙের এসব অটোরিকশার সামনে এবং পেছনে ইংরেজি ও বাংলায় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে প্রাইভেট শব্দটি। প্রাইভেট কারের পাশাপাশি নগরীতে চলাচল করছে প্রায় ১ হাজার ৩৫০টি সিএনজি অটোরিকশা। ……………..। ……………………………………………………………………….।
অনেক প্রাইভেট অটোরিকশার চালকরা আলাপকালে জানান, এসব অটোরিকশার অনেক মালিক অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিছু অসাধু মালিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব পরিচয় দিয়ে এসব গাড়ি অবাধে চালাচ্ছেন নগরীতে। এতে ট্রাফিক সার্জেন্টদের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে ঢাকার বাইরের গাড়ি অবাধে চলাচলের সুবিধা পাচ্ছে। বিক্রমপুরের এক প্রাইভেট অটোরিকশা চালক জানান, গাড়ির মালিক একজন ব্যবসায়ী। নগরীতে যাত্রী বহনে সমস্যা হয় কি-না_ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তার আত্মীয় পুলিশের এএসআই। রাস্তায় ট্রাফিক সার্জেন্ট ধরলে তার পরিচয় ও কন্ট্রাক্ট নম্বর দিলেই সব ঠিক। আরেক চালক শাহ আলম জানান, প্রাইভেটের কারণে শহরে চলতে সমস্যা হয় না। মালিককে প্রতিদিন এক হাজার টাকা জমা দিতে হয়। মিটার না থাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে এসব চালক। ৩-৪ বছর আগে নগরীতে প্রাইভেট অটোরিকশা ছিল খুবই কম এবং মানসম্মত। কিন্তু মান যাই হোক, দিন দিন এর সংখ্যা বেড়েই চলেছে, মিরপুর বিআরটিএর রেকর্ড অনুযায়ী ২০০৭-এ ১২০টি প্রাইভেট অটোরিকশার অনুমোদন দেওয়া হলেও পরবর্তীকালে তা বন্ধ হয়ে যায়। তাহলে প্রশ্ন জাগে এত প্রাইভেট অটোরিকশা আসছে কোথা থেকে? জানা যায়, ঢাকা জেলার ইকুরিয়া বিআরটিএ থেকে প্রতিদিন গড়ে একটি অটোরিকশাকে ব্যক্তিগত বা প্রাইভেট অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা জেলার ইকুরিয়া বিআরটিএর সূত্র মতে, এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ২শ’ অটোরিকশাকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। যার নম্বর প্লেটে লেখা রয়েছে ‘ঢাকা-দ’। এ অব্যবস্থা জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করা প্রয়োজন।

কত সংখ্যক এই প্রাইভেট অটোরিক্স রাজ পথে চলছে তার সংখ্যা নিয়েও দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিভিন্ন ধারনা দেয়া হয়েছে। তবে সংখ্যাটি দেড় দুই হাজারের কমনা বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

দৈনিক কালের কণ্ঠের ১৫০০ অবৈধ নিবন্ধন শিরোনামের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আরও কিছু গোপন তথ্য-

আইন অমান্য করে রেজিস্ট্রেশন : বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকায় কোনো প্রাইভেট অটোর রেজিস্ট্র্রেশন দেওয়ার নিয়ম নেই। কিন্তু রাজধানীতে ঢাকা মেট্রো: দ-১৪ সিরিয়ালের প্রায় ১৫০০ এ ধরনের যান চলাচল করছে। এ ছাড়া কৌশলে ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও মানিকগঞ্জে দেওয়া হচ্ছে এ রেজিস্ট্রেশন। আর সে বাহনগুলোর বেশির ভাগই চলছে ঢাকায়। যেকোনো প্রাইভেট অটোর রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার আগে তার রং পরিবর্তন করার কঠোর নির্দেশ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাও মানা হচ্ছে না। এ ছাড়া প্রাইভেট অটোগুলো ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার শর্ত থাকলেও সেসব চলছে ভাড়ায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক জানান, রং পরিবর্তন না করলে বাড়তি ১০-১৫ হাজার টাকা দিতে হয় বিআরটিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। অনুসন্ধানে জানা যায়, বিআরটিএর এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তার এ সব বাহনের শো-রুমগুলোর সঙ্গে রয়েছে যোগাযোগ। এ জন্য একটি নতুন যানের মূল্য তিন লাখ পাঁচ হাজার ৫০০ টাকার স্থলে শো-রুম কর্তৃপক্ষ রেজিস্ট্রেশনসহ চুক্তি করে তিন লাখ ৮০ হাজার টাকা নিচ্ছে।

ট্রাফিক সার্জেন্টদের টোকেন বাণিজ্য : ঢাকা ময়মনসিংহ রোডে জোয়ারসাহারা সংলগ্ন স্থানে একটি প্রাইভেট অটো (গাজীপুর ০৭৩৬) আটক করেন এক দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট। তারপর চালক একটু আড়ালে গিয়ে সার্জেন্টকে একটি টোকেন দেখায়। এতে লেখা ছিল এসআই আমিনুল ইসলাম, ট্রাফিক জোন বাড্ডা ও একটি মোবাইল নম্বর। এ অটোটি দায়িত্বপ্রাপ্ত সে সার্জেন্ট ছেড়ে দেন। এভাবে নগরীর অধিকাংশ প্রাইভেট অটো চলছে ট্রাফিক সার্জেন্টদের টোকেন নিয়ে। আবার কোনো কোনো প্রাইভেট অটো চলছে মাসোহারা ভিত্তিতে। মিরপুর টেকনিক্যাল সংলগ্ন স্থানে একটি প্রাইভেট সিএনজি আটক করে ট্রাফিক সার্জেন্ট। পরে চালক ট্রাফিক সার্জেন্ট ওয়ালিদ (ট্রাফিক মোহাম্মদপুর জোন)-এর নাম বলে বাহনটি ছাড়িয়ে নেয়।

কোন কোন পত্রিকার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে পাইভেট নামধারী ঐসব সিএনজি অনেক সময় নাকি ছিনতাই কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে। যাক সে রাতে ভালোয় ভালোই রক্ষা পেয়েছিলাম তবে কি মিরপুর ১০ চত্বর হতে গুলমান ১ চত্বর পর্যন্ত ৩০০ টাকা ভাড়া দিতে বাধ্য করা ছিনতাইয়ের খুবই কাছাকাছিই ব্যপার।

সে যাক। প্রাইভেট সিএনজির নামে ভাড়ায় চালানোর এই শুভংকরেরর ফাঁকি আর প্রহসনও বোধহয় আরও অজস্র প্রহসনের মতই টিকে যেতে শুরু করেছে এই দেশে। আমরা কি সত্যিই বড় অসহায়?