ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

মন্ত্রী,উপদেষ্টা আর সচিবসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুতে দূর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছে,অভিযুক্তদের একজনকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই দেশপ্রেমিকের সনদ দিয়েছেন ! প্রধানমন্ত্রী নিজেও অবশ্য একজন স্বঘোষিত দেশপ্রেমিক !!

পদ্মা সেতুর দূর্নীতির ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের ষ্টেটমেন্ট দুটি পড়লে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে যায় সেটি হল তারা-তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সাপেক্ষে,দূর্নীতির সাথে জড়িতদের আদালতের কাঠগড়ায় দেখতে চায়,
আর এটির উপরই নির্ভর করছে বিশ্ব ব্যাংকের লোন প্রাপ্তির সম্ভাবনা যা এই সরকারও মেনে নিয়েছে।

এখানে মনে রাখা দরকার বিশ্ব ব্যাংকের দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এস এন সি লাভালিনের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে পদ্মা ব্রীজ সংক্রান্ত কাজে দূর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে যা কানাডার আদালতে বিচারাধীন।

শেয়ার মার্কেটের দূর্নীতির হোতাদের নাম প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশকারী অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত যদি পদ্মা ব্রীজের দূর্নীতির সাথে জড়িতদের কোনভাবে রক্ষা করার চেষ্টা করেন তবে দেশবাসী বঞ্চিত হবে এই ব্রীজ থেকে আর এর পুরো দায়ভার আওয়ামী সরকারকেই বহন করতে হবে।

মাননীয় অর্থমন্ত্রী,
দূর্নীতির হোতাদের রক্ষার কোন চেষ্টা করবেন না,দেশবাসীকে পদ্মা ব্রীজ হতে বঞ্চিত করবেন না।