ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

 

শিরোনাম দেখে হয়ত ভাবছেন যে শিশু খাদ্যটির মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে সেটি গরীব পথ শিশুদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়া হলে অনৈতিক কাজ হবে।

তাহলে এবার ভেবে দেখুন তো ঐ শিশু খাদ্য-যেটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার দু-একদিন আগে কোম্পানী উঠিয়ে নিয়ে গেল মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে সেটিই যদি কোম্পানী ঘুরে এসে নতুন মোড়কে নতুন মেয়াদ সহ টাকার বিনিময়ে আপনার হাতে তুলে দেয়া হয় তবে সেটা কতটা যৌক্তিক আর মানবিক হয়?

কিভাবে?
খুব সহজ,যদি ঐ কোম্পানী কে যদি প্রশ্ন করা হয় মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে দোকান থেকে তুলে নেয়া পণ্যটি নিয়ে তারা কি করে,এর উত্তর আসতে পারে দুটি……..

১) পণ্যটি তারা ধ্বংস করে দেয়,
২) পণ্যটি তারা নতুন মোড়কে নতুন মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ বসিয়ে পুনরায় বাজারজাত করে

পণ্যটি তারা ধ্বংস করে দেয়-এটিই সম্ভাব্য উত্তর হবার কথা যদিও সে ব্যাপারে যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে আর এখানেই আমার প্রশ্ন …..
বাংলাদেশে অভুক্ত গরিব মানুষের সংখ্যা কি কম?

ঐ পণ্যটি ধ্বংস না করে গরিব পথ শিশুদের মাঝে বিলিয়ে দিলে সুবিধাবঞ্চিত গরীব জনগোষ্ঠীর সরাসরি উপকারের পাশাপাশি সবচাইতে বড় যে লাভটি হয় সেটি হল মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য নতুন মোড়কে বাজারে আসার প্রবেশ পথ রুদ্ধ হয়।

কোম্পানী কর্তৃপক্ষের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও এটি করা উচিত বলে মনে করি।আফটার অল ষোল কোটি মানুষের এই দেশে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে উনারা তো আর লাভ কম করছেন না।

শিশু খাদ্য বাজারজাতকারী কোম্পানী সহ সরকারের ভেজালবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত সংস্থা বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে আশা করি।