ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

গনতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সামরিকতন্ত্র শব্দ গুলো সস্পর্কে সবাই কমবেশী সবাই পরিচিত। কিন্তু আমাদের দেশের গণতন্ত্র কেমন জানি প্রশ্নবিদ্ধ। আমাদের দেশের গণতন্ত্র বলতে বুঝায় একটা ইলেকশান হবে কোন একদল ক্ষমতায় গিয়ে যত প্রকার ধন সম্পত্তির আখের গুছানোর শুরু করবে। আর নেতারা তো পৃথীবির শ্রেষ্ট মানব মনে করা শুরু করে তাদের আমৃত বাণী যাহা শুনে জনগণ পাগল ছাড়া অন্যকিছু উপাদি দিতে কষ্ট হয় তারপর ও তাহারা বলে থাকেন, এমন কিছ ডায়লগ খুব জনপ্রিয় আমাদের সমাজে যেমন টাইটানিক ডুবে যায় সেখনে আমাদের লঞ্ছ ডুব্বে না কি ডুববে,আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছেন,মানুষের ধাক্কায় রানা প্লাজা ধষে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক ভেবে দেখলাম কেন তাহরা এইসব বলে? পরে তার রেজাল্ট পেলাম জনগণ তাদের বেকুব বা পাগল বলুক তাথে তাদের কিছু আসে যায় না কিন্তু কোন কারনে তাদের বাণী যদি দলের বিপরীতে যায় তাহলে আর রেহায় নেই। দল থেকে ত পদ হারাবেন এবং যদি দেশের কোন পোষ্ট এ থকেন নিমেশেয় সব হারাবেন তার জলজ্যান্ত প্রমান ডঃ বি চৌধুরী, ডঃকামাল, আখতারুজাম্মান,কাদের সিদ্দীকি, নাজমুল হুদা প্রমূখ তার উপর রয়েছে সংসদ এ আপনি নাকি নিজ দলের বিরুদ্দে ভোট দিলে সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যাবে তাই আমাদের নেতার পাগল হতে রাজি, কিন্তু পদ হারিয়ে জিরো হতে ছায় না,তাই এই ধরনের গণতন্ত্র চর্চা হয় আমাদের দেশে। কিছু কিছু বুদ্দিজীবীরা টকশো তে এসে যখন গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে গলা ফাটায় তখন আমি হেঁসে গলা ফাটায়…
এইবার আসি রাজতন্ত্র নিয়ে। আমার সরল জ্ঞানে বলে রাজার ছেলে বা পরিবারের সদস্যরাই পরবর্তী রাজা হবেন এইটাই হচ্ছে রাজতন্ত্র। যা এখনো মধ্যপ্রাচে চলছে। ঐখানে এক রাজার পর কে রাজা হবেন কে পরবর্তী কে যুবরাজ হবেন সবি ঠিক করা থাকে। তেমনি আমাদের দেশে কে রাজা হবেন এবং যুবরাজ রা ও রেডি হয়ে আছেন। তারা হল জয় ও তারেক। শুধু তায় নয় কোন এমপি মিনিষ্টার এর মৃত্যু হলে তাদের পরিবার এর সদস্য রা ও রেডী, যেন তারাই সর্বোকৃষ্ট নেতা হতে পারে আর কেঊ হতে পারে না।গণতন্ত্রের দেশ আমেরিকাতে দেখে ২ বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর আর প্রাথী হতে পারে না ইন্ডিয়াতে ও দেখছি পাটির প্রধানের পদ বদল হয় আর আমাদের দেশে তার উলটা, তাই রাজার ছেলে রাজা হবে এমপির ছেলে এমপি হবে আর ভোটারের ছেলে ভোটার হবে এই হল আমাদের দেশের নিতি। একে রাজতন্ত্র বলবেন না গণতন্ত্র বলবেন আপনারা ভাল জানেন।

সুতরাং তাদের কাজ হচ্ছে শাসন বার নেয়া, আর আমাদের কাজ হচ্ছে ভোট দেওয়া এবং তাদের আন্দোলনের জন্য জীবন দেয়া ছাড়া আর কোন কাজ নেই তাই আমাদের ভোট এর জীবনের বিনিময়ে গণতন্ত্র খোলসে রাজতন্ত্র কায়েম করা ছাড়া আর কিছু হতে পারে না।তাই হেঁসে গলা ফাটানো ছাড়া আর কি আছে।

সামরিকতন্ত্র এর মুল হল কোন সামরিক জান্তা ব্যারাক থেকে বেরিয়ে এসে দেশের শাষন ভার নিয়ে চালিয়ে যাওয়া এবং বিরোধিদের কঠোর হস্তে দমন করা আর নিজেদের লোকদের কিছু সাহায্য সহযোগিতা করে করে নিজে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা এবং নিজেদের লোকদের অবস্তান দৃঢ় করে নেওয়া। মানুষ এই শাষন কে ভয় পায় এ জন্যে যে সাধারন জনগণ যখন
মারামারি করে তখন দুইটা খেলে অন্তত একটা দিতে পারে আর তা না পারলে গালি দিয়ে আন্তত মনের দুখঃ দূর করতে পারে আর এই সামরিক রা যখন মারে তখন নীরবে খেয়ে যেতে হয় তাই অপছন্দ।

সুতরাং চলতে গেলে সেই সামরিক জান্তার মত আনুসারে চলতে হবে মাঝে মাঝে আমার সামরিক বন্দু দের জিজ্ঞেস করলে তাঁহারা উত্তরে বলে আমাদের দের সব সময় তাই শেখানো হয় সিনিয়র দের সালাম দিতে হবে আর দোষ করলে তার শাস্তি পেতে হবে।এইবার আসি আমাদের রাজনীতিবিদ দের প্রশ্নে তাহারা যে সকল শাষন বার চালাই সব সামরিক এর ছেয়ে কম নয় A দল বলেন আর B দল বলেন যে কোন দলের আপনার যদি কোন পদ পেতে হয় তাহলে আপনাকে হতে হবে নেতার আশীর্বাদ পুষ্ট তা না হলে পদ পাবেন না এই রিতি ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পযন্তু একই অবস্তা অনেক বিজ্ঞ ব্যাত্তিরা ত বলে থকেন পাঠী করা হল দল নেত্রীর গোলামী করা ছাড়া আর কিছু না আজকের এই দিনের মিঃ আশরাফ অথবা মিঃ ফখরুল নেত্রীদের মতের বাহিরে কথা বলুক নিমেষে শেষ হয়ে যাবে তাদের রাজনিতির সংসার।সুতরাং এইটা কি সামরিক শাসন ছাড়া আর কি হতে পারে?সামরিক দের শব্দ বইয়ে শাস্তি কথাঠা আছে কিন্তু রাজনীতিদের বেলায় সেইটা খুজে পাওয়া যায় না এই দিক থেকে তাহারা আরও সেইব সাইটে আছেন আমাদের দেশে রাজনিতিবিদেরা কত অপকর্ম করে বেঁচে যায় কিন্ত পার্শ্ববতী দেশে দেখলাম ভিন্ন সেখানে লালু প্রাসাদ জয়ললিতার কারাদন্দ হয়েছে।আমাদের দেশে কি? আমাদের নেতারা নিজের দলের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা নাই সেখানে ক্ষমতায় গিয়ে কি আর গণতন্ত্র দিবে আমাদের সেটা জনগণ ভাল জানে। মিঃ ফকরুদ্দিন ত সবাই কে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে তোমাদের নেতাদের একাঊণ্ট এ হিসাব বহিরবুত হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা তবু ও কি আমরা বের হতে পেরেছি সেই নেতাদের হাতের বাহীরে ঘুরে ফিরে ত সেই একই যায়গায় ।সামরিক তন্ত্রের গ্লাস এ গণতন্ত্র ছাড়া আর কি হতে পারে? তারপর ও কিছু কিছু বুদ্দিজীবী রা গণতন্ত্রের সুধা প্রবাহিত করে জনগণ কে পরচিত করে থাকেন A আথবা B কে ভোট দেওয়ার জন্য তাই আমার অনুরোধ বেতন ভুত্ত দালালি করেন টিক আছে।এইরুপ গণতন্ত্র কে গণতন্ত্র বলে জনগন কে ধোকা দিবেন না।

ধন্যবাদ সবাইকে।
মান্নান, আলজেরিয়া থেকে।