ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সাম্রাজ্যবাদের নেশা পৃথিবীতে সবসময় ছিল এখনো চলে আসছে। এক সময় গ্রেট ব্রিটেন রাজ করেছিল পুরা পৃথিবী জুড়ে।তারা ১৭০০ সাল থেকে ১৮৫০ সাল পয’ন্ত ১৩৭ টি যুদ্ধ বা রিবোলেশনের মাধ্যমে তাদের সাম্রাজ্যবাদ বিস্তার করেছিল। তার পর পুরো পৃথিবীর লোক দেখল রাশিয়ার কমিনিউজম সাম্রাজ্যবাদের দামামা ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৯১ সাল। ইতিমধ্যে শুরু হ্ইয়ে গেল আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাস ধীরে ধীরে এগিয়ে নিচ্ছে তার সাম্রাজ্য। ইরাক-ইরান এর যখন যুদ্ধ চলিতেছিল ১৯৮০-১৯৮৮ তখন সবই ছিল ঠিকঠাক কারন দুই দেশের ছিল অসীম তেল আর সেই তেল বিক্রি করে কেনা হত অস্ত্র। রাশিয়া দিত ইরানকে আর আমেরিকা দিত ইরাক কে, কি সুন্দর মিল ছিল তাদের মধ্যে।আর সামান্য একটা দ্বীপ, সাত-ইল-আরব নিয়ে ৯ বছর দুই দেশ যুদ্ধ করেছে। যখনই যুদ্ধ শেষ হল আমেরিকার মাথা হয়ে গেল খারাপ। সাদ্দামকে সে হাতে নিয়ে শুরু করল নতুন খেলা, তাকে দিয়ে কুয়েত দখল করিয়ে নিয়ে আবার পরমাণু অস্রের নামে আক্রমণ করে ইরাক কে করল শেষ সেই সাথে গড়ে তুলল সারা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক আস্তনা সমস্ত মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান যাহারা শাসক আছেন তাহারা শুধু টিকে আছেন জি হুজুর,জি হুজুর করে। যে কোন মুহূর্তে এই সমস্ত শাসকে বিদায় করে দিতে পারেন মামারা। এখন করতেছেন না কারন সবই তো পেয়ে যাচ্ছে,এবং কালো সোনা ও নিয়ে যেথে পারছেন অনায়াসে। তারপর বড় মামার নজর দিলেন আফগানিস্তান পাকিস্তানের দিকে কারন সাউথ এশিয়াতে তার কোন ধরনের সামরিক ঘাটি নেই এবং মাল পানি ও যাইতে ছিল না আবার চীন-ভারত মামারাও নড়বড়ে অবস্থায় তাই এক ওসামা বিন লাদেন ঠিক করল তাকে দিয়ে দখল করে নিল পাকিস্তান আফগানিস্তান।তাই দেখে গাদ্দাফী মামা লেজ ঘুটিয়ে ও শেষ বাঁচা বাঁচতে পারল না। আবার দীর্ঘ সময় ইরাকে আছেন বলে লজ্জা করে সৈ্ন্য নিতে হবে ভাবনা এল, তারাতারি তৈ্রী করে নিলেন ISIS, এবার তাঁদের শেষ করার নাম দিয়ে ইরাকে থেকে যাবেন আরও ২০ বছর। যেমন করে এখনো ছেড়ে যায়নি জাপানের মাটি। দক্ষিণ এশিয়ায় আর বাকী রইল ভারত এবং বাংলাদেশ ভারত কে অলরেডী দোস্তির হাত বাড়ীয়ে দিয়েছেন। আর আমেরিকা যার বন্ধু তার দুশমনের কোন প্রয়োজন হয়না। আর সে ভারত কে শেষ করার জন্য তার আশে পাশে অবস্থান নিতেই তার বাংলাদেশকে প্রয়োজন, এক পাশে অলরেডি পাকিস্তানে বসে আছেন অন্য পাশে বাংলাদেশে থাকলে ভারত মামা কে টাইট দিতে খুবই সহজ হয়ে যায়।

৭১ এর পরাজয় এর প্রতিশোধটা ও ভাল ভাবে হয়ে যায়। ৭১ এর পর মামা একটু পেরেশানিতে ছিলেন কারন ১৯১৯ সালে আমানুল্লা তাড়িয়ে দিয়েছিলেন যেমন ব্রিটিশকে এবং ১৯৭৯ নজিবুল্লা তাড়িয়ে দিয়েছিলেন রাশিয়াকে আফগানিস্তানের মাটি থেকে তেমনি শেখ মুজিবের জন্য পাকামেরিকার জায়গা হয়নি বাংলাদেশে তার প্রতিশোধ সরূপ ৭৫ এ শেষ করে দিল শেখ মুজিব তার পরিবার কে।এই হল তাদের প্রথম পর্বের খেলা। দৃতীয় পর্ব শুরু করতে এসে দেখল সেই মুজিব ত নেই তার জায়গায় এসে গেছেন শেখ হাসিনা আর নতুন উইকেট যোগ হল বেগম জিয়া আর পুরাতন বন্ধু হিসেবে পেলেন জামাতকে। তাই জামাতকে দিয়ে শুরু হল তার পরিকল্পনা, প্রথম কাজ হল শেখ হাসিনা শেষ করা আর খলেদা জিয়া কে রাজনৈতিক বেড়াজালে বন্দী করে জামাত কে ক্ষমতায় আধীষ্টীত করা। না হ লে দুইজন কে শেষ করা।

শেখ হাসিনাকে মারার জন্য ইতিমধ্যে দুইবার আক্রমণ হয়ে গেছে ৩য় বার উনি আর জীবিত থাকবেন কি না আল্লাহ ভাল জানেন আর খালেদা ত ইতিমধ্যেই জামাতের আমির হয়ে আছেন উনি জামাতের বাঁশীর সুরে যতদিন নাচবেন ততদিন রাখবেন আর যখন নাচা শেষ উইকেট ও শেষ, আর সেটা নিয়ে তেমন টেনশন ও নিতে হচ্ছে না কারন জামাত তার বন্ধু, আর বন্ধু কে দিয়ে বন্ধু কে খতম করা অনেক সহজ কাজ।তাদের টার্গেট ছিল ২০২১ সালে বি এন পি বাদ দিয়ে,জামাত ক্ষমতায় অধিষ্টিত হবেন যার জন্য জামাত ইতিমধ্যে ১০০ সিট এ নির্বাচনের জন্য বিএনপির সাথে দ্র কষাকষি ও সেরে ফেলছেন আর তাদের দরকার ছিল মাত্র ৫০ সিটের। গ্রেনেট হামলায় যদি হাসিনা চলে যেত তাহলে ফিল্ড ত একেবারেই খালি হয়ে যেত।কিন্ত তা হল না তবু ও তাঁহারা পীছূ হটেনি শুধু সময়ের অপেক্ষায় জামাত কে তাহারা ক্ষমতায় বসাবে আজ না হোক কাল।আর জামাত কে ক্ষমতায় বসিয়ে তার পর তাদেরকেই তালেবানি শাসন বলে, সেখান থেকে জনগন কে উদ্দার করার জন্য দাদাজান ২য় আফগানিস্তানের মত ফরমুলায় দখলদারিত্ব উপনিবেশিক নিয়েনিবেন বাংলাদেশের। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,মিশর, লিবিয়া,সিরিয়ার মত আমারদেশ দেশ ও বিশ্বে আর একটি ব্যর্থ রাষ্টে পরিণত করবে।এবং সাম্রাজ্যবাদীদের গোলামী করতে হবে্‌।এক ইষ্ট ইন্ডিয়ার কোঃ কে যায়গা দিয়ে ভারতবষের ২০০ বছর গোলামী করতে হয়েছে। সাদ্দাম কে ইস্যু করে পুরা মধ্যপ্রাচ্য গোলামী করিতেছে।লাদেন কে ইস্যু্ আফগস্নিস্তান,পাকিস্তান গোলামীতে নিয়োজিত তেমনি জামাতের কারনে আমাদের কত বছর গোলামীত্ত বয়ে নিতে হয় সেইটা দেখার বিষয়। এই হল সাম্রাজ্যবাদীদের পরিকল্পনার অভিপ্রায়।
ধন্যবাদ সবাই কে, মান্নান আলজেরিয়া থেকে।।