ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

গাজার সার্বিক পরিস্থিতি অসহনীয় । যেখানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে শিশু । কোন শিশুই যুদ্ধ শুরু করে না । অথচ যখনই যুদ্ধ শুরু হয় তখন সবচেয়ে অসহায় হয়ে পড়ে শিশুরাই । এরা ঝুঁকিপূর্ণ জীবন নিয়ে বেড়ে উঠে । পড়া ছেড়ে দেয় কেউ মারা যায় , কেউবা তাদের স্বজন হারায় । আশ্চর্য হলেও সত্যি শিশুদের কখনও কখনও যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করা হয় । পৃথিবীর বহু দেশে শিশুরা যুদ্ধে নিয়োজিত । এক্ষেত্রে গাজার বিষয়টি ভিন্ন । গাজায় যে শিশুরা নিহত হচ্ছে তারা সকলেই নিরপরাধ । আবার অনেক দেশে শিশুদের অপহরণ করে তাদেরকে মানুষ হত্যার প্রশিক্ষণ দেয়া হয় । মেয়েরা শারীরিকভাবে নিগৃহিত হয়। এর প্রতিকারের উপায় হলো বিশেষ করে শিশুদের ওপর যুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিণাম সম্পর্কে আগেই চিন্তা করা । যারা যুদ্ধে যেতে বাধ্য করে তাদের শাস্তি দেয়া দরকার । আবার যারা নিরপরাধ শিশুদের হত্যা করে তাদেরও শাস্তি দেয়া দরকার। এটা এক ধরনের যুদ্ধ অপরাধ । এদের সর্বগ্রে বিচার হওয়া প্রয়োজন । আবার যুদ্ধ শেষে পুনর্গঠনের বিষয়েও শিশুদের প্রতি বেশী নজর দিতে হবে । যুদ্ধের বিভীষিকাময় স্মৃতি শিশুর মনে দাগ কেটে যারা সারা জীবনের জন্য । তাই যুদ্ধ পরবর্তী যে কোন শাস্তি ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় শিশুদের কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে । এসব থেকে শিশুকে সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার ।