ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

supreap and probash

অসহায় মানব শিশু কিছু সহজাত আচরণ নিয়ে জন্মগ্রহন করে । সে চোখের পলক ফেলতে পারে , শব্দ শুনলে চমকে উঠে , সে হাঁচি দিতে পারে এবং এ জাতীয় আর দু’একটি সহজ কাজ করতে পারে । কিন্তু স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য এগুলো যথেষ্ট নয় । নিরাপদভাবে বেঁচে থাকার জন্য তার আরো অনেক কিছু শিক্ষার প্রয়োজন আছে । কোন কিছু শিখবার ক্ষমতা ধীরে ধীরে ঘটে এবং তা অনেকখানি শিশুর মানসিক বিকাশের উপর নির্ভরশীল । শিশু তার পরিবেশকে জানতে শেখে সংবেদনের মাধ্যমে । সংবেদনই তার প্রথম পথপ্রদর্শক । সে মায়ের হাতের স্পর্শ অনুভব করে , মানুষের কন্ঠস্বর শোনে , দুধ ও মধুর স্বাদ গ্রহন করে এবং এভাবে তার অভিজ্ঞতার পরিধি বাড়তে থাকে । বেশ কিছুদিন সে সংবেদনের মাধ্যমেই অভিজ্ঞতা গ্রহন করতে থাকে । যখন সে এসব সংবেদনগুলো বুঝতে পারে তখন প্রত্যক্ষনের স্তরে উপনীত হয় । প্রত্যক্ষণ একটি মানসিক প্রক্রিয়া এবং শিশু যখন এ স্তরে উপস্থিত হয় তখন সে সংবেদনের সঙ্গে অর্থও যোগ করতে পারে । ভাষা অর্জন হচ্ছে মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপর্ণ দিক । ছয় মাস বয়সে সে যে শব্দগুলো শুনে সেগুলোর প্রতি মনোযোগী হয় এবং তার মধ্যে অনুকরণের চেষ্টা পরিলক্ষিত হয় । নয় মাসে সে অন্যদের কাছে থেকে শোনা কথা বার বার বলে কিন্তু এ শব্দের অর্থ সে তখনো বুঝে না । তিন বছর বয়সে একটি শিশু ‍পূর্ণবাক্য সঠিকভাবে বলতে পারে ।খেলার মাধ্যমে শিশুর সৃজনশীলতা ও চিন্তশক্তির বিকাশ ঘটে । অপুষ্টি, অসুস্থতা, মারধর, সঙ্গহীনতা, শব্দদূষণ শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ করে ।মূলত শিশুর শিক্ষা তার মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য । তাই সানসিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর করে শিশুর মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করা উচিত বলে মনে করি ।