ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

 
Google-doodle

ক্রিকেট বাজি কোটি কোটি টাকার মহোৎসব। ক্রিকেট উত্তেজনায় আমাদের অঞ্চলে ইস্টুবাজি নামে দাপটের সাথে চলছে কোটি কোটি টাকার রমরমা বাণিজ্য । বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষ্যে বাজিকরের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ভয়াবহতা আরো মারাত্নক আকার ধারন করেছে ।

ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা , ফুলবাড়িয়া, ফুলপুর , হালুয়াঘাট, নান্দাইল, ভালুকা, ত্রিশাল, গফরগাঁও, ঈশ্বরগঞ্জ, গৌরীপুর , ধোবাউড়া , তারাকান্দা উপজেলা শহর অঞ্চল এবং গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে এই বাজি ।

ইতিপূর্বে এই বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও প্রশাসন বাজি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে এমন তথ্য নেই ।

শোনা যাচ্ছে, বাজিতে অংশগ্রহনকারীরা বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ । শ্রমিক পেশা থেকে লাখপতি এমনকি কোটিপতিরাও রয়েছেন । পছন্দের দেশের সমর্থিক ক্রিকেট প্লেয়ারদের রান ছক্কা (৬) প্রতি ৫ হাজার থেকে লাখ লাখ এবং চার(৪) রান প্রতি প্রায় একই অংকের টাকা বাজি ধরছে তারা । অনেকেই বাজিতে হেরে সর্বস্বান্ত হয়েছেন এমন দাবী সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী ।
জানা যায়, বাজির প্রভাব মারাত্নক ।বাজির অর্থ জোগাড়ের জন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়েন অনেকে ৷ এর ফলাফল হয় মারাত্মক৷ চলে যেতে পারে চাকরি ও নিজের পেশা ৷ পরিবার হয় ধ্বংস৷ আত্মহত্যার হারও বৃদ্ধি পায় ৷ অনেকে বছরে এই নেশার পেছনে এত খরচ করেন, যা একটি বাড়ির দামের সমান ৷
মাদকাসক্তদের মতোই বাজিকরদেরও নেশা ছাড়ার কষ্টভোগ করতে হয় ।

মাদকাসক্তদের মতোই বাজিকদেরও নেশা ছাড়ার কষ্টভোগ করতে হয়।

সমস্যা হলো ক্রিকেটবাজি সরাসরি সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকে না ৷ লটারি বাজি খেলা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে রাষ্ট্র ৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূক্তভোগী পরিবারের দাবী ,এই ধরনের সর্বনাশা বাজি সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে না কেন?”