ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

দাঁত মানুষের একটি অমূল্য সম্পদ । দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা আমরা বুঝি না এমন প্রবাদও আমাদের দেশে প্রচলিত আছে ।বাংলাদেশ দাঁত চিকিৎসায় অনেকদূর এগিয়ে গেছে । দাঁতের চিকিৎসায় দেশ অনেকদূর এগিয়ে গেলেও এর সুফল ভোগ করছেন উচ্চ বিত্ত শ্রেণীর মানুষ । কারণটা হচ্ছে দাঁতের চিকিৎসা অনেক ব্যায়বহূল ।যা আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্তের সাধ্যের বাইরে ।

দাঁতের পাটি এমন একটি জিনিষ যেখানে সকল দাঁত সেটে থাকে ।দুর্ঘটনা, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে একটি দাঁত পড়ে গেলে অন্যদাঁতগুলি অসহায় হয়ে পড়ে । তখন ক্রমশ: হ্রাস পেতে থাকে মুখের দাঁত ।পড়ে যাওয়া দাঁতের স্থানে দ্রুত দাঁত প্রতিস্থাপন না করা হলে মুখে থাকা সকল দাঁতকে পড়তে হয় হুমকির সন্মুখিন । এই হুমকি থেকে দাঁত বাঁচাতে অনেকেই নকল দাঁতের আশ্রয় নেন ।

আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ ব্রীজ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য উপায়ে নকল দাঁত প্রতিস্থাপন করেন ।এসমস্ত নকল দাঁত বসানোর চিকিৎসা মধ্যবিত্তদের হাতের নাগালে হলেও এই চিকিৎসা আমার দৃষ্টিতে ক্ষতিকারক । কারনাটা হচ্ছে ব্রীজ করতে পাশের দাঁতের সাহায্য নিতে হয় । এক সময় পাশের দাঁতও ক্ষতিগ্রস্থ হয় ।ডেঞ্চারের মাধ্যমেও অনেকে নকল দাঁত প্রতিস্থাপন করেন । এই চিকিসা ব্যয় হাতের নাগালে থাকলেও এটা পড়ে অস্বাভাবিক বোধ করেন প্রায় সকলেই ।

এক্ষেত্রে ফ্ল্যাক্সিবল ডেঞ্চার ব্যয়বহুল ।আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে যোগ হয়েছে ইমপ্ল্যান্ট । ইমপ্ল্যান্ট অনেকটা আসল দাঁতের মতোই ।কিন্তু দু:খের বিষয় হচ্ছে ইমপ্ল্যান্ট খুবই ব্যয়বহুল চিকিৎসা ।

জানা মতে, প্রতিটি দাঁত ইমপ্ল্যান্ট করতে চিকিৎসাকেন্দ্র ও চিকিৎসকভেদে ৫০ হাজার টাকা থেকে ১লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে ।

ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে এমন তথ্য পাওয়া যায় ।

এই ইমপ্ল্যান্ট সুবিধা মধ্যবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষের হাতের নাগালের বাইরে । এক্ষেত্রে সরকার সরকারি হাসপাতালের মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যয় কমিয়ে সকল মানুষের সাধ্যের মধ্যে এনে দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারে।সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে অমূল্য সম্পদ দাঁত ইমপ্ল্যান্ট সুবিধায় এগিয়ে আসবে এদাবী ভুক্তভোগী মহলের ।