ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

ময়মনসিংহে জাতিসংঘ
জাতিসংঘ এইবার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে ‘সাসটেইনেবল ডেভলাপমেন্ট গোল’। সংক্ষেপে এসডিজি। বাংলায়- উন্নয়নের টেকসই লক্ষ্যমাত্রা এবার ১৭টি লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলায়তনে নাগরিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গত সোমবার অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্যানেল সদস্য হিসেবে অংশগ্রহনকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ময়মনসিংহের জেলা প্রসাশক জনাব মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, সিভিল সার্জন জনাব ডাঃ এ. কে. এম. মোস্তফা কামাল, ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ডাঃ মোঃ আব্দুর রউফ, সেক্রেটারী, প্রেস ক্লাব, মোঃ আতাউল করিম খোকন এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এটিএন বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল এর যুগ্ন প্রধান বার্তা সম্পাদক শাহনাজ মুন্নি ।

উক্ত সিটিজেন হিয়ারং এ অংশগ্রহনকারীরা বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, ‘টেকসই উন্নয়নের কেন্দ্র বিন্দু হওয়া উচিত স্বাস্থ্য।

নতুন উন্নয়ন এজেন্ডায় বা কর্মপরিকল্পনায় জবাবদিহিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। সিটিজেন হিয়ারিং ২০১৫ ধারনা-পত্র সংলাপে অংশ নিয়ে প্যানেল আলোচকরা বলেছেন, বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশে নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এর কারণ, এই খাতে নীতিনির্ধারকরা দৃষ্টি দিয়েছেন, এই খাতে বিনিয়োগও বাড়ানো হয়েছে। আর এর পেছনে আরো যে নিয়ামক-টি কাজ করেছে সেটা হলো জাতিসংঘ ঘোষিত সহশ্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য মাত্রা বা মিলেনিয়াম ডেভলাপমেন্ট গোল সংক্ষেপে এমডিজি। ২০০০ সালে বিশ্বনেতারা একসাথে বসে ২০১৫ সালের মধ্যে সারা পৃথিবী থেকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য নির্মূল, মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো, লিঙ্গ বৈষম্য কমানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে উন্নয়নের বেশ কিছু লক্ষ্য স্থির করেন।

মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৯৪ জনে নামিয়ে আনা হয়েছে, যদিও লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রতি লাখে মাতৃমৃত্যু ১৪৩ জনে নামিয়ে আনা। নবজাতক ও শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে। ইতিমধ্যে এমডিজি-র মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে । এরও ১৭টি লক্ষ্য স্থি’র করা হয়েছে। তবে এসব কিছুর মধ্যেই গুরুত্ব পেয়েছে প্রজনন স্বাস্থ্য, মা, নবজাতক, শিশু ও কিশোর -কিশোরীদের স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টি ।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এসডিজির বিষয়গুলি ফাইনাল করা হবে। এতে অংশগ্রহনকারী হিসাবে উপস্থি’ত ছিলেন ওয়ার্ল্ডভিশনের বিভিন্ন কর্মকতাগন, স্থানীয় সাংবাদিক, স্বাস্থ্য কর্মী, ওয়ার্ল্ডভিশনের শিশু ফোরামের সদস্য, সিবিও সদস্য, এন.জি.ও কর্মী, ধর্মীয় নেতাগন, শিক্ষক এবং কমিউনিটি ক্লিনিক সদস্যগন।