ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

12345678
আগামি ৩০ ডিসেম্বর দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। জাতীয় সংসদে পাস হওয়া আইন অনুযায়ী এই নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীকে। ২৩৪ এর তালিকায় স্থান পেয়েছে মুক্তাগাছা পৌরসভা।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৮৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরাও প্রচারের পাশাপাশি দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। পৌরবাসীর সার্বিক উন্নয়নে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতিতে গণসংযোগে এসেছে গতি। নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌরএলাকার নির্বাচনী মাঠ এখন সরগরম। অফিস- আদালত, হোটেল-রেস্তেরা, হাট-বাজার, ব্যবসা- প্রতিষ্ঠানের সর্বত্র নির্বাচন কেন্দ্রিক আলোচনায় মুখর। আলোচনায় বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে কে পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন । তফসিল ঘোষণার পর মুক্তাগাছা পৌরসভার প্রার্থীরা প্রচারনায় বেড়েছে গতি । ডিজিটাল ব্যানার আর ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে শহরের অলি-গলি রাস্তার মোড়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি দলীয় মনোনয়ন লাভের জন্য উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। এদিকে প্রার্থীদের তৎপরতায় ভোটারদের মাঝেও সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা ও উৎসবের আমেজ। প্রথম ধাপে মুক্তাগাছা পৌরসভার নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাই প্রার্থীরাও আগে-ভাগে মাঠে নেমে পড়েছেন। মুক্তাগাছা পৌরসভায় আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা মাঠে দাপিয়ে বেড়ালেও বিএনপি সমর্থিতদের তেমন একটা তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

মেয়র প্রার্থী হিসাবে বর্তমান মেয়র ও থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই আকন্দ, উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সরকার, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবিএম জহিরুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক , উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পী , বিএনপির পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম আলী ভুলু, পৌর বিএনপি’র সদস্য ও সাবেক পৌরসভার ৩বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মরহুম তালেব আলীর জেষ্ঠ পুত্র আতাউর রহমান লেলিন যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম রতন, সমান্তরাল হারে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপরোল্লিখিত প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামীলীল সমর্থিত কারো বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা না থাকলেও বিএনপি প্রার্থী আতাউর রহমান লেলিন ব্যতিত সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রয়েছে । বর্তমানে তারা জামিনে আছেন । সকল প্রার্থীদের দলীয় অবস্থান খুবই শক্তিশালী থাকলেও, রাজনৈতিক ব্যক্তিকেন্দ্রিক আভ্যন্তরীন কোন্দল লক্ষ্য করা যাচ্ছে ।

পৌর বিএনপির সভাপতি পদত্যাগী সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ও মেয়র মানছুরুর রহমান খান অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বলে জানা গেছে । তার সমর্থিতরা বিএনপি’র কাকে সমর্থন দেবেন এটিও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের ভাবিয়ে তুলেছে ।