ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

 

বড়রা পারলে আমিও পারব। মাদ্রাসার হুজুর বলেছেন, ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়- সেই ইচ্ছা শক্তির জোড়ে শিখেছি ঘোড়া দৌড়ানো। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বিদ্যাগঞ্জ জগন্নাথ পাড়ার বাসিন্দা স্থানীয় মাদ্রাসার নূরাণী শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র জাহিদুল ইসলাম। বয়স নয় বছর। আজ থেকে তিন বছর আগে পিতা সোহরাব আলীর নিকট থেকে শেখা ঘোড়ায় চড়ার কলা কৌশল। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

ঘোড়া দৌড়ে সে এখন পারদর্শী। ঝানু ঝানু ঘোড়াদৌড়ের খোলোয়াড়দেরকে পেছনে ফেলে জাহিদুল সবার আগে। ইতিমধ্যে ময়মনসিংহ সদরের কুষ্টিয়ার চর, বিদ্যাগঞ্জ, মুক্তাগাছার মানকোন, সৈয়দপাড়া, তারাটি, জগন্নাথপাড়া, জামালপুরের নরুন্দি, নান্দিনা, টাঙ্গাইল, শেরপুর, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে সে।

jahedul

ছবি: ছয় বছর বয়স থেকে ঘোড়া চালনায় পারদর্শী জাহিদুল

প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয়স্থান অর্জনকারী হিসাবে পুরস্কার হিসাবে মোবাইল, চেয়ার, টেলিভিশন, ডিভিডি, গরু, কলসী, ফ্যানসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছে সে। ঘোড়া দৌর প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী প্রবীণ ও জোয়ান খেলোয়ারদের কাছে জাহিদুল এখন মূর্তিমান আতংক।

জানা যায়, ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা কষ্টকর ব্যাপার হলেও জাহিদুল একজন অনুকরনীয় অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। তার উদ্যোমী বোধ আর আত্মবিশ্বাস এবং ইচ্ছা শক্তিকে হাজারগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সম্প্রতি কথা হয় কথা হয় জাহিদুলের সাথে। জাহিদুল জানায়, প্রত্যেকটি প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অর্জন করবো এই আশায় ঘোড়া নিয়ে মাঠে নামি।