ক্যাটেগরিঃ মানবাধিকার

 

শিশুটির নাম মর্জিনা আক্তার। ১২/১৩ বছর বয়সের এক মেয়ে। যে বয়সে কোমলমতি শিশুটি পিতা মাতার স্নেহ আদরে ধন্য হয়ে স্কুলের বই নিয়ে দাপিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, হৈ গুল্লোর, কানামাছি, গোল্লাছুট আরো কত খেলা খেলে বেড়াবে, মাতাবে বাড়ির আঙিনা, পাড়া- মহল্লা।

child abuse

অন্যান্য শিশুদের থেকে আলাদা করে রাখা হয়েছে তাকে। তার কোমল পায়ে বেঁধে দেয়া হয়েছে লোহার শেকল। একটি দোকানের সাটারের খুঁটিতে তালাবদ্ধ ছোট্র গন্ডির মাঝে বাঁধা জীবন তার। মধ্য যুগীয় নিষ্ঠুরতার এ ঘটনাটি মঙ্গলবার চোখে পড়ে ময়মনসিংহ রেল স্টেশন সংলগ্ন সালাম বুক সেন্টারের বিপরীত পাশে।

কাঠ ফাটা রোদ ভ্যাপসা গরমে বিবর্ণ হয়ে গেছে তার কোমল ত্বক। আগন্তুকদের আনাগোনার মাঝে প্রশ্ন তার, আমি পাগল নই। আমাকে কেনো বেঁধে রাখা হয়েছে? কৌতূহলীর ভিড় দেখা গেল। কখনও ব্যঙ্গ হাঁসি আবার কখনও গগন বিদারী আত্নচিৎকার আর ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা শিশুটির চোখে মুক্তির আকুলতা, ক্ষুব্ধ অভিব্যক্তি।

মর্জিনা বলেন, আমাকে কেন শেকলে বেঁধে রাখা হয়েছে? বাড়ি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়ায়।

তবে কে বা কারা তাকে শেকলে বেঁধে রেখেছেন তা জানা যায়নি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসবেন এ দাবী প্রত্যক্ষদর্শীদের।