ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

পাংশার বহুল আলোচিত ২৮ বাউলের চুল-গোঁফ কাটার ঘটনায় নেপথ্যে কি ছিল?কেনই বা চুল গোঁফ কাটা হল?প্রকৃত ঘটনা কি ছিল সেটা না খুজে গুজবে কান দিয়ে জল ঘোলা করার অভ্যাসটা আমাদের বহু পুরনো।`চিলে কান নিয়েছে”ব্যাস দে দৌড় চিলের পিছনে।

পাংশা থানার ১০/১২ জন সাংবাদিক চররামনাগর ঘটনাস্থল পরিদশর্ন শেষে ফিরে এসে বলেন,মোহাম্মদ ফকির আসলে নাড়ার ফকির। ইসলাম ধর্মের নামে উল্লা-পাল্টা কথা বলে চলছে বহুদিন যাবত। তার কার্যকলাপ নিয়ে মানুষের মাঝে প্রশ্ন রয়েছে বহুদিন ধরে। মুসলমানদের তরিকা সঠিক নাকি তার তরিকা এ নিয়ে সৃষ্ট মতবিরোধের জের ধরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। এই বির্তকের অবসান ঘটাতেই ৫ই এপ্রিল পুর্ব নির্ধারিত বাহেজের দিন ছিল। ঘটনার ৪০ দিন পূর্বে ফকিরি রীতি নিতি অনুযায়ী মরার অনুষ্ঠানিকতা পালন করতে মৃতের ন্যায় নাকে কানে তুলা দিয়ে গোসল করিয়ে সমস্ত গ্রাম ঘুরানো হয়।ঘটনার দিন তার চল্লিশায় গুরু ফকিরদের সমাবেশ ঘটিয়ে গান বাজনার আয়োজন করে। পুর্ব নির্ধারিত বাহেজের অনুষ্ঠানে এলাকার আলেম সম্প্রদায় এবং ফকিরের পক্ষে তার গুরু ফকিররা স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে বসেন। ফকিররা বাহেজে হেরে গিয়ে শাস্তি মেনে নেয়ার কথা বলেন। এক পর্যায়ে তাদের বড় বড় গোঁফ-চুল কেটে দেয়া হয়। অথচ মিডিয়া বলেছে তাদের সাধুসংঘ অনুষ্ঠান থেকে তাদের জোর করে ধরে আনা হয়েছে। সাংবাদিক দল মোহাম্মদ ফকিরের বাড়ীতে গিয়ে তার মেয়ে মর্জিনা (৩২)এবং মনোয়ারা(২৫) এবং জামাই মইনুদ্দিন মোল্লার সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। মোহাম্মদ ফকিরের বাড়ীতে আয়োজিত দুই দিন ব্যাপি লালন স্মরণোৎসবে একজন বক্তা মসজিদকে সেলুন এবং মুসলমানদের নাপিতের সাথে তুলনা করে। উল্লেখ্য যে,এলকাবাসী সুত্রে জানা যায়,মোহাম্মদ ফকির বলেছে নামাজ পড়ার কোন বিধান নেই ঢেকিতে নামাজ পড়ে,বাদুর রোজা রাখে,নাভির নিচে মা-বোন সম্পর্ক নেই।এসব কথাই এলাকাবাসীর মনে ক্ষোভের স্মৃষ্টি করেছে।

এতকিছুর পরে মুসলমানরা এখনো নিরব তাহলে সংখা লঘু কারা? মুসলমান নাকি নাড়ার ফকিররা? আবার সত্যি কথা বললেই উগ্র মৌলবাদী। তাহলে মুসলমানরা যাবে কোথায়?………..