ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 
26_bangladeshvsengland_dhakatest__301016__0023

কোন সন্দেহ নেই ইংল্যান্ডের সাথে ঢাকা টেষ্ট জয়ের এই দিনটি বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয় উজ্জ্বলতম দিন। ক্রিকেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মর্যাদাময় ফরম্যাট টেষ্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ে পুরো দলকে অভিবাদন আর শুভেচ্ছা। ২০০০ সালে টেষ্ট ক্রিকেট মর্যাদা পাওয়ার পরে এই জয় বিগত প্রায় ১৭ বছরের মাঝে সবচেয়ে বড় জয়। হ্যাঁ, এর আগে সাতটি টেষ্ট বাংলাদেশ জিতলেও সেগুলো ছিলো জিম্বাবুয়ে আর খর্ব শক্তির ওয়েষ্টইন্ডিজের বিপক্ষে। তাই টেষ্ট ক্রিকেটে অন্যতম সেরা দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এ জয় আলাদা মাত্রার, অন্যরকম গর্ব আর অর্জনের।

প্রায় ১৭ বছর টেষ্ট আঙ্গিনায় থাকলেও এ সিরিজের আগে বাংলাদেশ সর্বসাকুল্যে টেষ্ট খেলেছে ৯৩টি। তার মধ্যে জয় সাতটি, পরাজয় ৭৩টি, ড্র ১৫টি। অর্থাৎ প্রতিবছর ৫.৪৮ টেষ্ট, এক বছরে ছয় টেষ্টেরও কম খেলে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সত্যি কঠিন। আর ঠিক সে জন্য টেষ্টে দু-একটা সেশান কিংবা দিন ভালো খেললেও টানা সবগুলো সেশান বাংলাদেশ ভালো খেলেনি, ফলে বাংলাদেশ টেষ্ট কখনো বড় দল হয়ে উঠেনি। একটা বিষয় একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, বিশ্বের সব দলের টেষ্ট খেলার পরিমান দিন বাড়ছে উল্টোদিকে বাংলাদেশের টেষ্ট খেলার সংখ্যা দিনদিন কমছে। ২০০০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ টেষ্ট খেলেছে ৪০টি, ২০০৬ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ২৮টি এবং ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ২৫টি!
অর্থাৎ টেষ্ট মর্যাদা পাওয়ার প্রথম পাঁচ বছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি টেষ্ট ম্যাচ খেলেছে। অথচ হওয়ার কথা ছিলো উল্টো। যখন থেকে ওয়ানডে ভালো খেলছে, যখন থেকে ধীরে ধীরে একটা ভারসাম্যপূর্ণ দলে পরিণত হচ্ছে বাংলাদেশ, তখন থেকেই কিনা টেষ্ট খেলা কমে যাচ্ছে! আইসিসি ছাড়াও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড টেষ্ট ম্যাচ কম খেলতে পারার ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারে না। গত ছয়বছরে অন্য দলগুলোর সাথে বাংলাদেশের খেলার সংখ্যা তুলনা করলে ব্যবধানটা কত বড় সেটি সহজে চোখে পড়বে। এ ছয় বছরে সবচেয়ে বেশি টেষ্ট খেলেছে ইংল্যান্ড, তাদের ম্যাচের সংখ্যা ৭৩ ! সবচেয়ে কম খেলেছে যারা তাদের মাঝে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের টেষ্ট সংখ্যাও বাংলাদেশের চেয়ে দ্বিগুন প্রায়, অর্থাৎ ৫০ টেষ্ট ! বছরে ৪-৫ টেষ্ট খেলা একটা দল থেকে ধারাবাহিকতা কতটুকু আশা করা যায়?

বাংলাদেশ, দেশে এবং দেশের বাহিরে ওয়ানডেতে ভালো খেলছে গত দেড়-দু বছর ধরে। মোস্তাফিজ-সৌম্য-সাব্বিরদের মতো নতুন খেলোয়াড়রা যেমন বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে তেমনি পরিণত তামিম, নিজেকে বদলে ফেলা ইমরুল, মাহমুদুল্লাহ আর ধারাবাহিক সাকিব-মুশফিক-মাশরাফিরাও পথ দেখিয়েছে। সব মিলিয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশ এখন দারুণ একটা দল। কিন্তু টেষ্ট ক্রিকেট ভিন্ন জিনিস, সেখানে এক সেশান, দু সেশান ভালো খেলে জয়লাভ করা যায় না। পনেরটা সেশান-ই সমান তালে খেলতে হয়, দ্রুত ভুল থেকে শুধরে নিতে হয়। আর সেই কাজটিই বাংলাদেশ করতে পারছিলো না গত ১৬টি বছর।

টেষ্ট ক্রিকেটে ভালো করতে হলে অভিজ্ঞতা আর ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার মান ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দুটোই আমাদের পক্ষে না, প্রথমত আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে চারদিনের ম্যাচের সংখ্যার অপ্রতুল, দ্বিতীয়ত স্পোটিং উইকেটের অভাব খেলোয়াড়দের আত্নবিশ্বাস যোগাতে কোন সাহায্যই করছে না। লো এন্ড স্লো উইকেটে খেলে আমরা আমাদের ফাষ্টবোলারদের যেমন ধ্বংস করছি, তেমনি ফাষ্ট বোলার জন্মানোর পথ কে নিরুৎসাহী করছি। প্রথমেই বলেছি আন্তর্জাতিক আঙ্গিনায় আমাদের টেষ্ট ম্যাচ খেলার সংখ্যাও আমাদের খেলার উন্নতি কে থমকে দিচ্ছে। একটা উদাহারণ দিলেই বিষয়টা স্পষ্ট হবে, মুশফিকের পরে এলিস্টার কুকের টেষ্ট অভিষেক হয়েছে অথচ এ সিরিজের আগে মুশফিকের টেষ্ট ম্যাচ সংখ্যা ৪৮ আর কুকের ১৩৩! এ তথ্যই বলে দেয় বাংলাদেশ কত কম টেষ্ট খেলার সুযোগ পায়।

টেষ্ট ক্রিকেট ধারাবাহিক ভালো করতে অভিজ্ঞতারা পাশাপাশি কিছু রসদ আপনার হাতে থাকতেই হবে। ব্যাটিং এর উন্নত টেকনিক এর পাশাপাশি ধৈর্য্য সেখানে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর এবং বোলিং এ প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নেওয়ার সক্ষমতা। ইংল্যান্ডের সাথে একটা টেষ্ট জিতে গিয়েছি বলে এসব জায়গায় যে আমাদের ঘাটতি নেই তা কিন্তু নয়, বরং দুটো টেষ্টেই বিশেষ করে ব্যাটিংর ধৈর্য্য ঘাটতি স্পষ্ট পীড়াদায়ক ছিলো। টেষ্ট ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানের উইকেট বোলারের কাছে আরাধনার মতো, ব্যাটসম্যানকে পরাস্ত করে উইকেট নিতে হয়। অথচ আমাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় উল্টো টা। আমাদের ব্যাটসম্যান-রা উইকেট দিয়ে আসে। ঢাকা টেষ্টের কথাই ধরা যাক, প্রথম ইনিংসে ১৭১/১ উইকেট থেকে ২২০ অলআউট! মাহমুদুল্লাহ-মুশফিক-সাকিব মির্ডল অর্ডারের তিন স্তম্ভই নিজ থেকে বোলারদের উইকেট দিয়ে এসেছেন। সাব্বির-মেহেদী-হোম ও ঠিক সেই কাজটি করেছেন। ফলে তামিম-মমিনুলের অসাধারণ একটা জুটির পরও ইংল্যান্ড খেলায় ফিরে আসতে পেরেছে। এই হঠাৎ ধসে যাওয়ার কাজটি ওয়ানডে সিরিজ থেকেই বাংলাদেশ বজায় রেখেছে। প্রথম টেষ্টের তৃতীয় দিনের প্রথম ওভারে সাকিবের ডাউন দ্যা উইকেট গিয়ে মারতে যাওয়া যেমন দায়িত্বহীন ব্যাটিং এর পরিচয় ঠিক তেমনি ঢাকা টেষ্টের দ্বিতীয় দিনের শেষ বলে মাহমুদুল্লাহর ক্রস লাইনে ব্যাট চালিয়ে আউট হওয়া সেই দায়িত্বহীনতার পরিচয় ছাড়া আর কিছু নয়। অথচ এরা দুজন দলের সেরা ব্যাটসম্যান শুধু নয়, অভিজ্ঞতাতে ও সেরা । অথচ তাদের ব্যাটিং এ সে চিত্র ফুটে উঠেনি, এটি হতাশার।

আমরা জানি, অনেক বেশি শট খেলার প্রবণতা টেষ্ট ক্রিকেটে সংবরণ করতে না পারলে কোন ব্যাটসম্যান তার ইনিংসকে বড় করতে পারে না। মাহমুদুল্লাহ-সাকিব-মুশফিকদের সামনে উদাহারণ দিয়ে বিষয়টি বুঝানোর জন্য বাহিরের কোন খেলোয়াড়ের প্রয়োজন নেই। আমাদের তামিম ইকবাল-ই যথেষ্ট। একটা সময় তামিম ইকবালের চেয়ে বেশি স্ট্রোক কেউ খেলতো না এবং সম্ভবনাময় অনেক ইনিংসকে বাজে ভাবে আউট হওয়ার মাধ্যমে তা শেষ করতে দক্ষতা তামিমের মতো আর কারো ছিলো না। অথচ গত দুই-তিন বছরে সব ধরণের ক্রিকেটে তামিম নিজেকে বদলে ফেলেছেন, জোর করে শট খেলার চেয়ে ক্রিজে থেকে সেট হয়ে শট খেলায় মনোযোগী হওয়াতে, তামিম এখন দলের সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটসম্যান। তামিম থেকেই অন্যরা শিখতে পারে কিভাবে নিজেকে বদলে নিয়ে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দলকে সাহায্য করা যায়।

একটা সময় ছিলো যখন বাংলাদেশের টপ অর্ডার নিয়মিত ধ্বসে পড়তো আর শেষের ব্যাটসম্যানরা সেটা প্রতিরোধ করে স্কোরটাকে একটা সম্মান জনক পর্যায়ে নিয়ে যেত। তখন অবশ্য বাংলাদেশ সম্মানজনক পরাজয়ের জন্য মাঠে খেলতো, কিন্তু গত চার-পাঁচ বছরে বাংলাদেশ জয় ছাড়া বিকল্প কোন ভাবনায় ক্রিকেট খেলতে মাঠে যায় না। মানসিকতায় বদলে যাওয়া বাংলাদেশের লেয়ার মির্ডল অর্ডার আর টেলান্ডারদের ব্যাটিং কি বদলে গেলো? না হলে প্রতি ম্যাচে এমন কান্ড ঘটবে কেন? শেষের ৩-৪ জন মিলে ৪০-৫০টা রান করতে না পারলে এখনকার দিনে ক্লোজ ম্যাচগুলো তে জয় পাওয়া বেশ কঠিন। আধুনিক ক্রিকেটে সব দলেরি বোলার-রা ও ব্যাট ধরতে জানে, রান করতে জানে, জানতে হয় এখন। অথচ ইংল্যান্ডের সাথে পুরো ওয়ানডে থেকে টেষ্ট পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচে বাংলাদেশের টেলন্ডার-রা একেবারে নখরদন্তহীন ছিলো, তাসের ঘরের মতো ক্ষনিকের মাঝেই সাজঘরের পথ ধরতো। শেষ চার-পাঁচ উইকেট ২০-৩০ রানে হারিয়ে ফেলাকে তো বাংলাদেশ অভ্যেসে পরিণত করেছিলো। আমার মনে হয়, এটি নিয়েও কাজ করা উচিত, আধুনিক ক্রিকেটে বোলারদেরও কিছুটা ব্যাট করার দক্ষতা আবশ্যক এখন।

তবে বোলারদের ব্যাট করতে পারার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের মূল কাজটি সঠিক ভাবে করা। আর টেষ্টে এই বোলিংটাতে বাংলাদেশ এখনো অনেক অনেক দুর্বল। আমরা যদি বড় দলগুলোর দিকে তাকাই তাহলে দেখবো প্রায় সব দলে একটা ভালোমানের লেগ স্পিনার আছে এবং নতুন কিংবা পুরানো বলে সুইং করানো ফাষ্ট বোলার আছে। ফাষ্ট বোলার ছাড়া এশিয়ার বাহিরে টেষ্টে ভালো করা কখনো সম্ভব না। অথচ ওয়ানডে অন্যতম বিশ্বসেরা ফাষ্ট বোলিং এট্যাকের পরও টেষ্টে আমাদের ফাষ্ট বোলিং সবচেয়ে বেশি দুর্বল। ওয়ানডে মাশরাফি-তাসকিন-আল আমিনরা থাকলেও টেষ্টে কেউ নেই ! গতির সাথে সুইং না থাকলে সাধারণ গতির বোলার-রা টেষ্টে দুধভাত টাইপের বোলার হয়ে যায়। আল আমিন-শফিউল কিংবা রবিউল-শহীদ সবার টেষ্ট রেকর্ড সেই ব্যর্থতার কথাই বলে। ঘরোয়া ক্রিকেটে স্পিন সহায়ক পিচ বানিয়ে আপনি আলাউদ্দিনের আশর্চায্য প্রদীপ দিয়ে বিশ্বমানের ফাষ্ট বোলার পেয়ে যাবেন ভেবে থাকলে সেটি ভুল। এখনো যে এখানে ফাষ্ট বোলার আসছে সেটাই অবশ্য বিস্ময়কর লাগে আমার কাছে! বিসিবির উচিত তাদের এ জাগরণের ঘুম থেকে জেগে উঠার, প্রয়োজন এখন ঘরোয়া ক্রিকেট কে ঢেলে সাজানোর, বেশি বেশি করে চারদিনের ম্যাচ আয়োজন এবং স্পোটিং একটা উইকেট বানানো যেখানে ফাষ্ট বোলার-স্পিনার দুজনি সাহায্য পাবে। পাশাপাশি জুবায়ের এবং তার মতো অন্য লেগ স্পিনার সন্ধান করা এবং তাদের যত্ন করা।

খেলোয়াড়দের কাজ মাঠে গিয়ে পারফর্ম করা আর বিসিবির সহ অন্য সংগঠকদের কাজ খেলা এবং খেলোয়াড়ের মান উন্নয়নে কাজ করা। শুধু এ করা যাবে না, ও করা যাবে না সেন্সরশীপ আরোপ আর কার কয়টা গালফ্রেন্ড, কয়টা মোবাইল ফোন আছে সেটি আবিষ্কার করে ক্রিকেটের উন্নয়ন করা যায় না। ১৭ বছরে টেষ্টে উন্নতি করতে না পারার ব্যর্থতা আপনাদের ছাড়া আর কারো নয়। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা সীমিত সুযোগ সুবিধার মধ্য দিয়েও তাদের ভালো খেলার কাজটি করলেও আপনারা এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলা যায়। আইপিলের আদতে ধুমধাড়াক্কার বিপিএল আয়োজন করতে পারা প্রকৃত পক্ষে কোন সফলতা নয়, টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট, খেলোয়াড় সৃষ্টি কিংবা খেলার মান উন্নয়নে কোন ভূমিকা রাখতে পারে না। শুধু অর্থের পেছনে ছুটলে ক্রিকেট খেলায় উন্নতি করা যায় না এটি বুঝতে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দিকে তাকালেই হয়। টি-টুয়েন্টির সেরা দল ওয়ানডে র্যাং কি এর তলানিতে, টেষ্টও তাই।

অনেক সময় নষ্ট করা হয়েছে, বিসিবির প্রয়োজন এখন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহন, ঘরোয়া ক্রিকেটের শক্তিশালী একটা কাঠামো দাঁড় করানো এবং ভালো মানের উইকেটে সে প্রতিযোগিতার আয়োজন। এছাড়া আইসিসি থেকে বেশি বেশি টেষ্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ সৃষ্টি। প্রতিভা দিয়ে কোথাও বেশিদিন টিকে থাকা যায় না, প্রতিভার সাথে পরিশ্রম আর চর্চা না থাকলে, সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করাতে না পারলে যে কেউ কিংবা যে কোন দল হারিয়ে যেতে পারে। এক সময় কেনিয়া আমাদের চেয়ে ভালো দল ছিলো, অথচ আজ তারা কোথায় আর আমরা কোথায়! বছরে দুই চারটা চারদিনের ম্যাচ খেলে টেষ্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিক ভালো খেলবে, এমন টা আশা করলে সেটি মস্ত বড় ভুল। তাই ইংল্যান্ডের সাথে জয়ের উচ্ছ্বাসে যেন ঘরোয়া ক্রিকেটের দৈন্যতা থেকে চোখ সরে না যায়, বরং আরো ভালো খেলার জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটের উন্নতিরি তাড়না যেন আসে বিসিবির। ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা আর খেলার সংখ্যা বৃদ্ধি করলে সাকিব-তামিম-মুস্তাফিজ-তাসকিন-মিরাজদের বাংলাদেশ টেষ্টেও একদিন অন্যতম বড় দল হয়ে উঠবে নিশ্চিত। ঘুম ভা্ঙ্গুক বিসিবির, লর্ডস থেকে সিডনি, মুম্বাই থেকে কলম্বো সর্বত্র গর্জে উঠুক বাংলার টাইগার-রা, অব্যাহত থাকুক বাংলার এ জয়যাত্রা।