ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

স্বাধীনতার ঘোষকের ইতিহাস

শনিবার ২৬ মার্চ ২০১১, সকাল ১০.৩৮ মিনিটে আমাদের ব্লগার এক ভাই জে জিয়ার লেখা পড়ে কিছু না লিখে পারলাম না। আমার শৈশব শিক্ষা জীবন কেটেছে আজকের বি.এ.এফ. শাহীন স্কুলে তখন ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৯ । সে সময় বি.এ.এফ. শাহীন স্কুলের নাম ছিল শাহীন স্কুল যার তত্ত্বাবধন করতো পাকিস্তান এয়ারফোর্স। আমার অতীত জীবন স্মরণ করতে গেলে আমাকে স্মরণ করতে হবে সেই সময়ের শাহীন স্কুলের প্রিন্সিপাল মামুন আল রশীদ স্যার কে, সেই সাথে আমাদের শ্রেণী শিক্ষিকা মাহমুদা ম্যাডামকে, ক্রীড়া শিক্ষক আবদুল্লা স্যার কে এবং অনেক শিক্ষক ও সহপাঠী কে যাদের মাঝে ছিলেন আজকের শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ফুটবলার ছালাউদ্দিন সাহেব এবং প্রয়াত শেখ কামাল, শেখ জামাল ভাইদের । তারাও সে সময় শাহীন স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আমি দেখেছি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান সাহেবকে খুব কাছ থেকে প্রায় উনি উনার সন্তানদের স্কুলে দিয়ে যেতেন, একখানা সাদা রংয়ের উইলিস জীপ গাড়িতে, যার উপরের আচ্ছাদন থাকতো না। উনার পরিধানে মজিব কোট এবং সাদা একখানা শাল জড়ানো থাকত, সাদা পাঞ্জাবীপায়জামার পরিধানের মধ্যো দিয়ে । সেই রকম দেখেছি জেনারেল জিয়াউর রহমান কে, সে সময়কার জিয়া বিমান বন্দর উদ্ভোদন উপলক্ষে । সে সময় আমি কর্মরত ছিলাম বাংলাদেশ বিমানের যোগাযোগ শাখায়। আমি দেখেছি পাকিস্তানের বর্বতা, স্বাধীনতার যুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধে অংশ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার কর্মকান্ড। শুনেছি স্বাধীনতার ঘোষনা, কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হওয়া সে ঘোষনা । যা ছিল বর্বর পাকিস্তানী সেনাদের দ্বারা ২৫শে মার্চের রাতের আধাঁরে নিস্ত্র… ঘুমন্ত মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়া গনহত্যার নির্মম ইতিহাস। সেই দিনের ঘোষনা এমনই এক সাড়া জাগিয়েছিল আন্দোলরত প্রতিটি পূ্র্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের মাঝে যা আমাদের কে এনে দিয়েছে আজকের স্বাধীনতা স্বাধীন বাংলাদেশ

সেদিনের স্বাধীনতা ঘোষকের মুখে উচ্চারিত হয়ে -on behalf of I declare- আজকের এ স্বাধীনতাকে আমরা সত্যমিথ্যার জালে আবদ্ধ করে ফেলেছি। আমরা যদি কিছুটা সহনশীল হতাম তাহলে আজকের স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে হয়ত এতো বিতর্ক হতোনা । বঙ্গবন্ধু ও জেঃ জিয়ার যার যার অবস্থানে সঠিক মূল্যয়ন হতো।