ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

একটি রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম পথ হল রাজনৈতিক ভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে পরিচালনা করা।আর রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার একটি অন্যতম বৈধ এবং সহজ পন্থা হল রাজনৈতিক দলের সাহায্যে রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্টিত হয়ে রাষ্ট্রকে পরিচালনা করা।মানুষ নানা ঘাত প্রতিঘাতের মাধ্যমে এই পন্থা অবিষ্কার করেছে।

১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দেশ গঠনের পরে আমরা বিশ্বের বুকে পাকিস্থানি স্বত্তা হিসাবে আর্বিভূত হই। কিন্তু মাত্র কিছুদিন পরে আমরা বুঝতে পারি পাকিস্থানি স্বত্তা হিসাবে থাকতে যেয়ে আমরা আমাদের বাঙ্গালি স্বত্তাকে বিসর্জন দিতে বসেছি।তখনই আমরা বুঝতে পারি আমাদের বাঙ্গালি স্বত্তাকে জাগ্রত করতে গেলে আমাদের মাঝে আমাদেরকে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদের উদ্ভব ঘটাতে হবে।তাইতো যে বাঙ্গালি ‘হাতে মে বিড়ি মু মে পান/লড়কে লেঙ্গে পাকিস্থান”স্লোগানে মাঠ ঘাট কাপিয়েছে তার মুখেই আবার শোনা যায় ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা’।

একটি দেশের সামগ্রিক পরিচয় ফুটে ওঠে সে দেশের সামগ্রিক জাতীয়তাবাদের উপর ভিত্তি করে।যেমন পাকিস্থানের জাতীয়তাবাদ হলো ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ,ভারতের জাতীয়তাবাদের নাম হিন্দুস্থানি জাতীয়তাবাদ।তেমনি ভাবে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ সামগ্রিক বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের পরিচয় প্রকাশ করে।আমরা বাঙ্গালিরা যখন বুঝতে পারলাম আমাদেরকে আমাদের জাতীয়তাবাদের প্রকাশ করতে গেলে একটি রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে তার প্রকাশ করতে হবে।আর সে ধারনা থেকে জন্ম নিল আমাদের সবচেয়ে পুরোন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।