ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

 

শিরোনাম দেখে যে যাই ভাবুক না কেন এটাই বাস্তব এবং এটাই চিরন্তন সত্য। গত বছর যখন জোর করে বাংলাদেশকে ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেওয়া হলো তখন আইসিসি প্রধান হিসেবে আমাদের লোটাস কামাল থাকার পরও কিছু করতে পারলো না । রাগে ক্ষোভে নিজেকে সরিয়ে নিলেন পদ থেকে। তারপর বোমাটা ফাটিয়েছিলেন তিনি নিজেই।

কিভাবে কিভাবে ইন্ডিয়াকে আইসিসি সুবিধা দিয়ে আসছিলো তা যারা ক্রিকেট নিয়ে সামান্য খবর রাখে তারাও হয়তো জানে। সেই বিশ্বকাপ থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়টা অনেক ভালোই যাচ্ছিল । সেই ভালোর একজন যে তাসকিন নামক সেই ছেলেটি ছিল এতে কোন সন্দেহ নাই । তাছাড়া তার বোলিংয়ের গতিটাও ছিল সম্ভবত বাংলাদেশের সেরা। আবারো একটি বিশ্বকাপ, সেই ফর্মটা যে বাংলাদেশের এখনো আছে সেটা বুঝা গেল সাম্প্রতিক এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলায়।

সেই অভিষেক থেকে শুরু করে এতদিন পর্যন্ত বোলিং করে আসলেও কখনোই তাসকিনের বোলিংয়ের কোন সমস্যা ছিল না। কিন্তু যখনই সামনে আসলো ভারত ঠিক তার আগে (আমার ধারণামতে) পরিকল্পিতভাবে তাসকিন এবং সানিকে অবৈধ ঘোষণা করা হলো। যদিও যে ম্যাচ এর বোলিং নিয়ে সন্দেহ করা হয়েছিল তার একটিও অবৈধ ধরতে পারে নি। যেখানে ফিফা ফুটবলকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে সেখানে আইসিসি ক্রিকেটকে আরও সংকুচিত করছে। সেই সাথে দামি দামি সব ক্রিকেটারকে হারিয়ে দিচ্ছে।

কিছু উদাহরণ দিলে আরো স্পষ্ট হওয়া যাবে। যেমন ধরুন- সাঈদ আজমল, সুনিল নারাইন, সুচিত্রা সেনানায়েকে, মোহাম্মদ হাফিজের বোলিং। কিন্তু আশ্চার্যের বিষয় ইন্ডিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের একজনও নিষিদ্ধ হয় না। যদিও আপনি বলতে চাইবেন ইন্ডিয়ার প্রজ্ঞান ওঝা কে তো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জ্বী হ্যাঁ । এটা শুধু লোক দেখানোর জন্যই। তা না হলে আশ্বিনের বোলিং একশন নিষিদ্ধ হয় না কেন? সে যখন হাত থামিয়ে বল করে তখন কি আম্পিয়ারের চোখে পরে না? যখন বুমরাহ বল করে তখন কি 15° এর বেশি বাক তাদের চোখে পরে না? হ্যাঁ পরে ঠিকই কিন্তু না পরার ভান করে।

আজ কেন মাশরাফির চোখে জল? মাশরাফি নিজেকে সামলাতে পারলেও ভারতীয় সাংবাদিক মাশরাফির আবেগের কাছে হেরে গিয়ে নিজেকে সামলাতে ব্যর্থ। এসবের কি কোনো প্রতিকার নাই? যদি নাই বা থাকে তবে কি দরকার ওসব বাজে ক্রিকেটের?