ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 

আজ ভোর পাঁচটার দিকে হয়ে গেল ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৬.৮। এই কম্পনে ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমারসহ কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। কিছুদিন ধরেই এধনের ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠছে বাংলাদেশ। যদিও ক্ষয়-ক্ষতি বা হতাহতের পরিমান অল্প তথাপি আশংকা কিন্তু কমছে না। কারণ বড় ধরনের কোন ভূমিকম্প হওয়ার আগে এরকম ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়ে থাকে। বাংলাদেশে বড় আকারের ভূমিকম্প সংগঠিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে। আর এখন ২০১৬ সাল। মোটামুটিভাবে ১০০ বছর হতে চলল। সে হিসাব অনুযায়ী যে কোন সময় আঘাত হানতে পারে বড় আকারের ভূমিকম্প। কাজেই বাংলাদেশ বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, এতে কোন সন্দেহ নেই। বড় আকারের ভূমিকম্প হলে তার ক্ষয়-ক্ষতি বা প্রাণহানির পরিমান যে কি পরিমান হবে তা আন্দাজ করা মুশকিল। কারণ রাজধানী ঢাকা শহরেই যে পরিমান অপরিকল্পিত দালানকোঠা রয়েছে তার হিসাব শুনলেই বোঝা যায়।

এ ধরনের অপরিকল্পিত দালান নির্মান বন্ধ করা না গেলে আরো বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে দেশ ও জনপদ। মাত্র কয়েকবছর আগে জাপানে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কথা মনে আজো গা শিউরে ওঠে। যদিওবা প্রাকৃতিক এ বিপর্যয় ঠেকানোর কোনো উপায় নেই, তবু সতর্কতা অবলম্বন করলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান কমানো সম্ভব। প্রিন্ট মিডিয়া বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে সতর্কতামূলক কলাম বা কোন অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সতর্কতা সৃষ্টি করা যায়।

আর তা না করে যদি বলা হয় দেশে কোন ভূমিকম্প নেই, এসব মিডিয়ার সৃষ্টি। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য কেউ ষড়যন্ত্র করছে বা বিরোধীদল ঠেলা মেরে দেশটাকে কাঁপিয়েছে তাহলে………….