ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, অনিয়ম কমাতে এবং কমিটির ক্ষমতা খর্ব করতে শিক্ষা মন্ত্রনালয় একটা যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। সেটি হল নিবন্ধন পরীক্ষা।

আগে নিবন্ধিত হতে হবে তারপরে চাকরি। সে লক্ষে নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হয়। ১ম থেকে শুরু করে ১১ তম পর্যন্ত নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্নের সংখ্যা দাড়িয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ। এর মধ্যে ৬৫ হাজারের মত বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। বাকীগুলোর কোন প্রকার সুরাহা না করেইই একের পর এক পরীক্ষা গ্রহণ চলছে এবং সনদধারীর পাল্লা দিনকেদিন ভারী করছে।

১ম থেকে ১১তম পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে এখন পর্যন্ত যারা চাকুরি পায়নি তাদের মেধা তালিকা না করে কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র ১২তম এ যারা উত্তীর্ন হয়েছে তাদের মেধাতালিকা করে বৈষম্যের সৃষ্টি করেছে। ১ম থেকে ১২ তম পরীক্ষা একই সার্কুলারে হয় তাহলে কেন এই বৈষম্য?

আবার ২০১৫ এর অক্টোবর থেকে পরবর্তি ৩ বছর সনদের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কোন ব্যবস্থা না হলে আপনি মেয়াদহীন হয়ে যাবেন। এরপর আবার পরীক্ষা। এ যেন কানামাছি খেলা।

১ম থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষায় উত্তীর্নদের মেধাতালিকা গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা প্রকাশ করেনি।
সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫০ হাজারের মত শুন্যপদ থাকলেও মাত্র কয়েক হাজারের তালিকা প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এতে করে অনেকের চাকুরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে এসেছে। নিবন্ধন পাশ করে সনদ নিয়ে যারা আশায় বুক বেঁধেছিল, তাতে অনেকটা দুরাশা বাসা বেধেছে। কারন, তিন বছর মেয়াদের এক বছর শেষ।

অথচ এনটিআরসিএ ইচ্ছা করলে সকল শুন্যপদের চাহিদা নিয়ে তালিকা প্রকাশ করতে পারতো। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ চাহিদা দেননি, কারন তারা এখনো মনে করেন নিজেরাই নিয়োগ দিয়ে নগদ টাকা শুঁকবেন।

এনটিআরসিএ এর উচিত পূর্বের সনদধারীদের নিয়োগ দিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা।