ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গ্রাম দেশের গ্রাম্য মোড়ল অথবা শয়তান ধর্মী লোকের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বিচার যদি কেউ দেখে থাকেন অথবা জেনে থাকেন কোণ ঘটনা। তাহলে আপনি ভালোই বলতে পারবেন তাদের মুল উদ্দেশ্য কি থাকে। আর যদি সে বিচার হয় অথবা হতো কোণ মেয়ে মানুষের বিপক্ষে। তাহলে তাকে ভদ্র ভাষায় ‘বেশ্যা’ রুপি বানাতে তৎপর লোকজনের অভাব হতো না। এতে অন্যায় বিচার এর আয়োজনকারীদের বিচার করতে সহজ হতো। ‘মাগি’ একটি গালি হিসেবে মেয়েদের বলা হয়ে থাকে প্রচলিত। কিন্তু পূর্ণিমা মানে জ্যোৎস্না এর কথা বলতে গিয়ে ‘মাঘী’ পূর্ণিমার কথা আমরা কে না জানি। উচ্চারণ এর দিক দিয়ে একই হলেও, মাগি আর মাঘীর মধ্যে কত ফারাক! ফারাকটা আকাশ আর পাতাল এ দুটি শব্দের মধ্যে।

তবে জামাত-শিবিরের খাসলতে যে কোন পার্থ্যক্য নেই আদতে। জামাতের গুণ্ডা বাহিনি শিবিরের বর্তমান অবস্থা দেখলে তো বলতেই হয়। আগে ওরা নীরবে রগ কাটতো এবং পালিয়ে বেড়াতো। এখন কোমরের জোর নিয়ে পুলিশকে পিটায়! মিডিয়া অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের ভিডিও ও ছবি ফুটেজ প্রকাশ করে। কিন্তু পুলিশ তাদেরকে ধরার চেষ্টাও করে না! পিঠে বিক্রি হওয়া সিল ঝুলানো সুশীলরাও-আসুন আলোচনায় বসি বলে টেবিল থাপরায়। ভদ্র সুশীলরা ভয় পেয়ে যেন গর্তে মুখ লুকায়! পুলিশও চুড়ি পরে বসে থাকে আর মিডিয়া সে খবর ছাপিয়ে বাহবা খোজে! সরকারের বিরুদ্ধে সিরিজ সংবাদ ছাপায়। যুদ্ধাপরাধীর গং বাহিনির অরাজকতা নিয়ে প্রশ্নই তোলে না! মধ্য দিয়ে অরাজকতার খবর শুনে বিরোধী দল পায় স্বস্তি, সরকারী দল রাগে উঠে ফুসে, আমজনতা আতংকে ভুগতে থাকে।

আবারও আসি সে মাগির গল্পে। গ্রাম্য সে সাজানো বিচারে কারও বউ অথবা মেয়ে যদি পরপুরুষের সাথে একটু কথা বলেছেন, তাহলে তাকে বিছানায় শোয়াতেও সে বিচারে থাকা লোকজন এর বাধতো না। ঘোমটা পরা অন্য বাড়ির বউ-ঝি সবাই ছি ছি করে সে মাগি থুক্কু মানুষটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে একঘরে করে ফেলত। ফলাফল শয়তান-রুপি হায়েনাদেরই জয়।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ এ সরকারের আমলেরই প্রথম দিকে সর্বসন্মুখে ঘোষণা দিয়েছিলেন- এ সরকারকে ডুবানোর জন্য ছাত্রলীগ একাই যথেষ্ট। তখন কথাটির মানে বুঝি নাই। এখন বুঝতে আর কি বাকি আছে গ্রামের মাগির বিচারের মতন ছাত্রলীগ এর কর্মকাণ্ডকে হাইলাইটস করে আর সরকারকে বেকায়দায় ফেলে আর পুলিশকে খারাপ খারাপ বলে দোষ দিয়ে হাতে চুড়ি পরিয়ে মার দেয়া মওদুদ আর জামাত গং মাগির বিচারই করে নিজ স্বার্থ হাসিল করার পায়তারায় সফল হচ্ছে। তবে তা ভেবে আমজনতা আপনারা নিশ্চিত হইয়েন না। এখন যারা মুখ ফুটে সব সহ্য করছেন। আপনাদের হাতেও চুড়ি পরার সময় আসলো বলিয়ে।

আমি তো রাগে, ক্ষোভে, লজ্জায় এখুনি চুড়ি পড়ে বসে রয়েছি। জয় হো মিডিয়া, জয় হোক আমাদের মানবতার দৃষ্টিভঙ্গি। দলে দলে সবাই আসেন হাতে এখুনি চুড়ি পড়ি আর দেখি আর বলি-

একাত্তরের রাজাকার গর্জে উঠো আরেকবার।