ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

প্রথম আলোর গতকাল আর আজকের প্রথম পাতা কতটা যে বেদনাতুর তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। পিনাকি, পিয়ালির এই নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতা আর পরাগের মায়ের বুক ফাটা কান্নার কথা ভাবতেই কান্নায় বুক ভেসে যাচ্ছে। কেন কাদছি জানিনা। কাকে জিজ্ঞাস করবো কেন এমন হলো। কে জবাব দিবে। আমরা কোন সমাজে বাস করছি। আর কত মাকে কাদতে দেখব এভাবে। প্রধানমন্ত্রী , প্রিয়জন হারানোর বেদনা কি তা হয়তো আপনার চেয়ে কেউ বেশী অভিজ্ঞতা লাভ করেনি। আপনি কি পারেন না আপনার বাহীনী দিয়ে পরাগকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে? কি লাভ চার বাহিনী পুশে। জনগনের টাকায় তাদেরকে ব্যারাকের মধ্যে নিরাপত্তা বেষ্টিত জীবন যাপন করানো হচ্ছে। অথচ যাদের জন্য তাদের নিয়োগ করা হয়েছে সেই জনগন আজ নিরাপত্তাহীন। কি বলবো কাকে বলবো । কি যে চাপা কষ্ট নিয়ে কথাগুলো লিখছি। মাঝে মাঝে আমার ইচ্ছে হয় খুন করি। ও আল্রাহ তুমি সদয় হও পরাগের মায়ের প্রতি। একমাত্র তুমিই পার পরাগকে ফিরিয়ে দিয়ে পরাগের মায়ের বুকে জলন্ত কষ্টের আগুন নিভাতে। আমরা এমনই এক সময় পার করছি যখন আমার কেউ কারো কথা শুনতে পাই না। কারো কষ্ট আমাদেরকে ব্যথিত করে না। কারো আতর্নাদ আমাদেরকে দৃষ্টি আকর্ষন করে না। বেচে থাকতে ইচ্ছা হয় না। আমি ও একজন বাবা। আমি যদি না থাকি তবে কে আগলে রাখবে আমার সন্তানকে যদি আমি বেচে না থাকি ? আবার মনে হয় কিভাবে সইব যদি আমার সন্তানকে আমার সামনে …………..আর পারছি না।