ক্যাটেগরিঃ ব্লগ


এছাড়া মঞ্চে ইমরান এইচ সরকার, ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগসহ ছাত্র সংগঠনগুলোর বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত আছেন”
বন্ধনীর মধ্যের কথা টুকু বাংলানিউজ২৪.কম থেকে নেওয়া। যারা এ সংবাদ পড়ছেন তারাই ধারনা করছেন শাহবাগীরা হচ্ছেন গনজাগরন সৃষ্টিকারী নয় বরং রাজনীতিতে সক্রিয় বা নিস্ক্রিয় তথাকথিত রাজনীতিক। ডা. এমরান আওয়ামীলীগার। আমরা শাহবাগ আন্দলোনের নেতা হিসেবে চেয়েছিলাম রাজনীতির পরিচয়মুক্ত একজন স্বশিক্ষিত আলোর পথের যাত্রী। আমরা এখন রাজনীতি বলতে বুঝি ক্ষমতায় যাবার জন্য যা কিছু দরকার তা করাই রাজনীতি এতে জনগনের যদি বারটা বাজে বাজুক। অফ দা পিউপিল, ফার দা পিপর এবং বায়িং (নট বাই) দা পিপল।রাজনীতিবিদগন আজ আলো হাতে আধারের যাত্রী। হায়রে দেশ। শাহবাগ আন্দলোন এর কারনে প্রাণ হারালো রাজিব ভাই। তারতো কোন রাজনীতিক পরিচয় ছিলনা। সে ছিল একজন মানুষ এটাই তার বড় পরিচয়। তাকে নাস্তিক প্রমান করতে মাত্র ৩/৪ টি মিডিয়া কাজ করেছে তাতেই দেশ উত্তাল। আমি আজ পর্যন্ত দেখি নি কোন বিশদ রিপোর্ট প্রমান করতে যে রাজিব একাজ করেনি তা গন মাধ্যমগুলো জনগনের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। কেউ আস্তিক বা নাস্তিক তা পরিচয় বড় হয়ে পড়ল। তাহলে শুরু হোক কে রাজাকার আগে তার বিচার করা। তা শুরু হয়েছে এবং হবে।
বিচারাধীন রাজাকারদের বিচার এর মাধ্যমে সরকার একটি দায়মুক্তি থেকে বাচতে চাচ্ছে আর জনগনের বাহবা নিয়ে ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসার রায় পাবে মনে করে ভিতরে ভিতরে তৃপ্তির যে ঢেকুর তুলছে তা সফল না ও হতে পারে।
এদেশের জনগন আজ বহুবিভক্ত। ২০০৯ সালের নির্বাচনী পরিবেশ আর ফিরে আসবে না। এদেশের শত্রুরা অপেক্ষায় আছে আমাদের মাঝে সম্প্রিত নষ্ট করে আমাদের উপর খবর দারি করার।
যারা রাজিব ভাইকে নির্মম ভাবে খুন করল তারা যদি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী হয় তবে তারা নিজেরাই নাস্তিকে পরিনত হল। ধিক শত ধিক কুলাংগার তোরা। নিজেকে শেষ করলি আর ধর্মের উপর কালিমা আনলি। থু তোর ধান্দাবাজি রাজনীতিক আদর্শের প্রতি। তোদের শুধু বলার আছে আবার তোরা মানুষ হ। না হলে এ জনতা অচিরেই তোদের অনৈতিক রাজনিতির বিরূদে্ধে শাহবাগের মত রাস্তায় রাস্তায় মহল্লায় মহল্লায় প্রতিরোধ গড়বে । বাংলাছেড়ে পালাবার ও পথ পাবি না।