ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

অনেকেই এই ধারনা দেয়ার চেষ্টা করেন যে ইবাদতের মতো ইসলামি অর্থনীতিও শুধু মুসলিমদের জন্য পালনীয়, শুধু তাই নয় আরও ধারনা দেয়া হয় যে ইসলামি অর্থনীতিতে উন্নয়নের কথা বলা নাই।

বাস্তবে ইসলামি অর্থনীতির দ্বারা এই ধারনা এবং কার্যক্রমের বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে যে মানবকল্ল্যানে মানুষের কার্যক্রম নিয়োজিত হবে তাই কিছু পণ্য যেমন হালাল করা হয়েছে তেমনি কিছু পণ্য হারাম করা হয়েছে যা মানুষের জীবনের ক্ষতির কারন হয়ে দ্বারায়। মানুষে মানুষে বিশ্বাস থাকবে তাই কথা ও কাজের সাথে মিল রাখার কথা বলা হয়েছে – বিশ্বাসের মাধ্যমে সুনামের সৃষ্টি হয় আর ব্যবসায়ে সুনাম এক অপরিহার্য সম্পদ। যেখানে বিশ্বাস নাই সেখানে ব্যবসাও টিকে থাকতে পারে না। সম্পদের কিছু অংশে দরিদ্রদের পাওনা থাকবে তাই যাকাতকে অপরিহার্য করে দানকে উৎসাহিত করা হয়েছে কারন ইহা ভাত্রিত্তের বন্ধনকে দৃঢ় করে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়িয়ে দেয় আর ব্যবসায়ের গতিকেও তরান্বিনিত করে। এটাই হচ্ছে সম্পদের সার্বজনীন বণ্টন ব্যবস্তা অথচ অর্থনীতিবিদরা আজ পর্যন্ত বণ্টনের কোন সার্বজনীন ব্যবস্তা দিতে পারেননি। ভারসাম্য ধরে রাখার জন্য এবং ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য একদিকে যেমন যাকাত ও দান করার কথা কলা হয়েছে অন্যদিকে ভিক্ষা নেয়াকে নিম্ন স্তরেরে কাজ হিসাবেও ঘোষণাও করা হয়েছে। একেই বলে ভারসাম্য এবং সম্মান ও কল্যাণের অর্থনীতি।

অর্থাৎ বিশ্বাস ও দানের মাধ্যমে মানব কল্যাণের যে পথ, সে পথ সমৃদ্ধি ও কল্যাণের এবং অর্থনৈতিক উন্ন্যনের তাই ইসলামি অর্থনীতি একটি সার্বজনীন অর্থনীতি যা সমস্ত মানুষকেই উন্নয়নের পথ দেখায়।

মোঃ মশিউর রহমান
ব্যাংকার