ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 

ভুলেই গিয়েছিলাম এখানে আমার নিবন্ধন আছে। নিতাই বাবু বললেন, ফেসবুকের চেয়ে বিডিনিউজ ব্লগ কমিউনিটি হিসেবে অনেক ভালো। তখন মনে পড়লো, ‘আমি আছি তো!’

হ্যাঁ, আমি আছি! আমি আজকে পুরোনো কথাকেই নতুন করে লিখলাম। আশা করছি এরপর নতুন কিছু লিখবো।

* * *

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সমকালীন আরেকজন শরচ্চন্দ্র ছিলেন, তিনি শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত বলেই খ্যাত ছিলেন৷ বিদূষক নামক তাঁর একটি জনপ্রিয় পত্রিকা ছিল৷

একবার কোন সভায় দুই শরৎচন্দ্রকেই নিমন্ত্রণ করা হয়েছিল৷ সে সভায় উপস্থিত হয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শরচ্চন্দ্র পণ্ডিতকে জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা, আপনি তাহলে বিদূষক শরচ্চন্দ্র!

পণ্ডিতও কম যান নি, তামশা বুঝে বললেন, ও, আপনি সেই চরিত্রহীন শরৎচন্দ্র!

বলাবাহুল্য, তখন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রহীন উপন্যাস খুব পাঠক প্রিয় ছিল৷

* * *

একদিন একলোক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে দেখে দৌঁড়ে এলেন৷ হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন, দাদা, আপনাকে দেখতে ঠিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো লাগে৷
শরৎ বাবু মুচকি বললেন, লোকে তো তাই কয়৷

* * *

গোপাল ভাঁড়ের কথা কে না জানেন, তিনি একবার তার দুই বেয়াইয়ের সাথে এক জায়গায় যাওয়ার সময় পথের ধারে দক্ষিণমুখো হয়ে প্রস্রাব করতে বসলেন। তা দেখে তার এক বেয়াই চোখ ছানাবড়া করে বললেন, ‘আরে করেন কী, করেন কী! আপনি জানেন না, দক্ষিণমুখো হয়ে প্রস্রাব করতে নেই, শাস্ত্রে নিষেধ আছে যে!’

বেচারা গোপাল ভাঁড় বেয়াইয়ের কথা শুনে এবার উত্তরমুখী হয়ে বসলেন। তখনই অপর বেয়াই বাধা দিয়ে বললেন, ‘শুনেছি উত্তরমুখো হয়েও নাকি ওই কাজটি করতে নেই।’

গোপাল ভাঁড় অসহায় হয়ে বললেন, ‘ওসব পণ্ডিতলোকদের বচন, আমি গাঁইয়া মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, ওসব বাছবিছার আমি করি না, সব মুখেই প্রস্রাব করি। বড় বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখেও করি, আর ছোট বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখেও করি।’

* * *

সবশেষে একটা কথা বলি। নিশা দেশাই বাংলাদেশে এসেছেন, ভালো। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে উনি যদি অন্তত একটি আমেরিকান ডগস্কোয়াড বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করতে পারেন তবে তার আসার খরচটা পুষিয়ে যাবে। আর তাও যদি না পারেন, জঙ্গিদের অন্তত ইশারা দিয়ে যেতে পারবেন, আমরা আছি, আমরা তোমাদের প্রশিক্ষণ আর অস্ত্রের ব্যবস্থা করতে পারবো।