ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 

সস্তা হিট নেওয়ার জন্য অনেকে আক্রমন করে বসে অনেককেই। সেরকুম একটা পোস্ট এ আমার একটা কমেন্ট কে একটু ঘশে মেজে লিখে ফেললাম এবার । কাউকে আক্রমন নয় শুধু অহংকারী এক পুরুষের কথা বলবো । আর দয়াকরে এখানে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে গালাগালি করবেন না। হুমায়ুন আজাদ এর গালাগালি তে বিশেষ কোর্স করাছিল । এটা অনেকেই যানে । তার মুরীদরাও কিমি। যায় না । আর দয়াকরে ছাগু বানানোর খেলা থেকে বেরিয়ে এসে আলোচনার পরিবেশ তৈরী করুন ব্লগে । আমি যেসব হুমায়ুন আজাদের ঊক্তি তুলে ধরবো যদি এগুলো অসত্য প্রমানিত হয় তবে ব্লগ লেখব না আর ।
(আমি না লিখলেও যে খুব ক্ষতি হবে কারো, মনে হয়না।)

http://en.wikipedia.org/wiki/Humayun_Azad

হুমায়ুন আজাদ এর লাল নীল দ্বীপাবলি পরে আমি তার এক সময় ভক্ত বনে গেছিলাম । তিনি তার লেখায় বাংলার মানুষকে নতুন কিছু দিতে পেরেছিলেন কিন্তু তার অহংবোধ তাকে অবশেষে বারবার বিতর্কিত করেছিল । তার অনেক লেখাই হয়তো বাংলা সাহিত্যের রত্ন হিসেবে হাজার বছর থাকবে কিন্তু অন্যদের ছোট করে কথা বলতে তার কখনই বাধেনি । নাস্তিক দের আত্মগৌরব টা মনে হয় একটু বেশিই থাকে ।

এবার আসা যাক আপনার হুমায়ুন আযাদের কথায়। বাংলা সাহিত্যের কাওরেই এই মহান(!) সাহিত্যিক কে আপনার মত আবাল বলতে ছাড়েননি। নজরুলকে নিয়ে বলেছেন।

হুমায়ুন আজাদকে নিয়ে প্রথম বিতর্কটি ওঠে খুব সম্ভবত ১৯৮৮ সালে, কাজী নজরুল ইসলামকে ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ বলার মধ্য দিয়ে। উনি নাকি সাম্রদায়িক কবি । আহমাদ মাযহার বলেছেন তার একটি লেখায় ।
” যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য নিয়ে পড়তে এলাম সেখানেও দেখলাম নজরুলের প্রতিভার সম্পর্কে বিরাট প্রশ্ন! আমার শিক্ষক হুমায়ুন আজাদ তো শ্রেণীকক্ষে নজরুলকে পদ্যকারের বেশি মূল্যই দিতে চাইলেন না। শুধু তাই নয় জাতীয় কবিতা উৎসবের সেমিনারে পঠিত প্রবন্ধে তো তিনি জোরেশোরে নজরুলকে ‘মহাপদ্যকার’ বলে নাকচই করে দিলেন। নজরুলপ্রেমীদের পক্ষ থেকে এর যথাযোগ্য প্রত্যুত্তর এল, এ নিয়ে বিস্তর হৈচৈও হল।”

মুক্তপ্রাণ নজরুল ও আমাদের প্রাতিষ্ঠানিকতা
–আহমাদ মাযহার
http://arts.bdnews24.com/?p=2863#more-2863

আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস কে নিয়ে আপানার পীর হুমায়ুন আজাদ বলেছেন।

‘পত্রিকাটিতে ওসব কী ছাপা হয়? আজফার নামের ওই ছোকরাটি এখন আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সঙ্গে ভিড়েছে? ইলিয়াস কী লেখে? আমি তো তার লেখায় কুকুরের সঙ্গম আর নির্বোধের হস্তমৈথুন ছাড়া কিছুই দেখি না।’

http://arts.bdnews24.com/?p=1795

দেশের সাহিত্য, মানে বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে আপনার স্যার নেতিবাচক ধারণার কথা পরে বলি .।।
বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একটা ঊক্তি হুমায়ুন আজাদ এর –
‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের এই অবস্থা দেখে আমার আনন্দ হয় আবার বেদনাও বোধ করি। তাদের শারীরিক আনন্দের কোনও ব্যবস্থা নেই। সেটা অবশ্য কোনও অবিবাহিতেরই নেই। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের যৌনানন্দের জন্যে, বিশেষ করে যারা অবিবাহিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত হলগুলোতে একটা ব্যবস্থা রাখা। কী বলো!’
হা হা হা ।
পীর যেমন পীরের মুরীদও একি ।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কে নিয়ে তার ঊক্তি
‘তার তো চিঠি লেখারই যোগ্যতা নেই। তবে সুনীলের মতো নিম্নমাঝারি লেখকের উদ্ধৃতি ব্যবহার না-করে কথাটা যদি তোমার মুখ থেকে শুনতাম, ভালো লাগতো।’

বাংলাদেশে দর্শনের চর্চা নিয়ে সরদার ফজলুল করিম সম্পর্কে একদিন কথা উঠল। তিনি বললেন, ‘প্রচারমাধ্যমগুলো এদেশে তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করেছে দার্শনিক বলে। কিন্তু তিনি মোটেই তা নন; দর্শনের পুরনো কয়েকটি বই অনুবাদ ছাড়া তিনি কিছুই করেন নি, তাতেও আছে গোলমাল। এ-বাংলায় দর্শনের ব্যাখ্যাকার বা ভাষ্যকার বলেও কিছু নেই, কিন্তু একজন দার্শনিক আছেন। তিনি সরদার ফজলুল করিম।’

http://arts.bdnews24.com/?p=2595

কায়কোবাদ কে মুল্যায়ন কঅরেছেন এভাবে

“কায়কোবাদ এমন কিছু লেখেননি যে, তার মৃত্যুর পর এধরনের অনুষ্ঠান করতে হবে। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তাতে বড়জোর একটা মিলাদ মাহফিল হতে পারে।’
হুমায়ুন আযাদকে নিয়ে আরো রেফারেন্স চাইলে দিতে পারব ।
হুমায়ুন আযাদ এর মুরীদদের এখন পোয়াবারো ।

এবার তার কিছু সাহিত্য নিয়ে বলি .। (গালাগালি তুলে দিতে সাহস পেলাম না ).।
থাক না ওসব ।
লুল.।
রাগলে চলবে না । এগুলো কি ধরনের সাহিত্য তা আমাকে বুঝিয়ে বলতে হবে । আমি প্রকৌশল এর ছাত্র হওয়ায় আমার প্লুটনিয় আর ফ্রেওডীয় বুঝার সৌভাগ্য হয়নি । এটা কোন টাইপ এ পরছে ???

তবে যাই বলুন হুমায়ুন আজাদ এক জনই এসেছেন বাংলা সাহিত্যে ।