ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

আমি বুয়েট ছাত্রলীগের কোন নেতা কর্মী নই, আমি একজন সমর্থক। তবে আমি জানি বুয়েট ছাত্রলীগের একটি ঐতিহ্য হল সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক কমিটি দেয়া। এটা বহু বছর ধরে হয়ে আসছে বুয়েটের রাজনীতিতে। কিন্তু গত ৭ই জুলাই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের মাত্র ৩ দিন পুর্বে এ ঐতিহ্যকে কলংকিত করে একটি সম্পুর্ণ অগণতান্ত্রিক কমিটি বুয়েট ছাত্রলীগের ভবিষ্যতকে আঁধারে নিমজ্জিত করেছে। যারা কখনোই মাঠপর্যায়ে রাজনীতি করেনি তাদের এ কমিটির মাধ্যমে নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর বিগত কমিটি। বিগত ৫ বছর যাবৎ যারা রাজনীতির ময়দানে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে তারা থেকে গেছে উপেক্ষিত। বুয়েট ছাত্রলীগের ৮০% নেতাকর্মী এ কমিটিকে স্বীকৃতি দেয়নি বরং করেছে উপহাস। গত প্রেসিডেন্ট এবং সেক্রেটারির কাছে এলাকার ছোটভাই হিসেবে যারা এ কমিটিতে স্থান পেয়েছে, ওদের অদক্ষতা ও অনভিজ্ঞতা বুয়েটের সবাই জানে। সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন তার গাইবান্ধা এলাকার একটি ছেলে তন্ময়কে সেক্রেটারী বানিয়েছে আর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার রোটন তার এলাকা চট্টগ্রামের এক ছেলে মিশুকে বানিয়েছে প্রেসিডেন্ট। নগ্নভাবে পক্ষপাতিত্ব এবং ইজমের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এ কমিটিতে। যে ছাত্রলীগ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলো তা এ প্রহসনের কমিটির আগমনের সাথে সাথে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। দক্ষ ও পরিশ্রমী যেসব নেতার ও তাদের অনুসারীরা দৃঢ় হাতে গেড়েছিলো আদর্শের ভিত, এক টুকরা হাস্যকর কমিটির আগমনে তা নড়ে উঠেছে। এ কমিটির উদ্দেশ্য ক্যাফে,ক্যান্টিন ও পলাশীর আশপাশের দোকান থেকে চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করা। সাবেক সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমারের এ হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে এ কমিটি কাজ করছে,প্রসঙ্গত তাঁর নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ বেশ কয়েকবার পত্রিকায় দেখা গেছে। নীচের লিংকটি দেখতে পারেনঃ

চাঁদাবাজি

ছাত্রদল ও শিবির এর অনেক সাবেক কর্মী এ কমিটিতে পদ পেয়েছে। নারী কেলেংকারি ও সন্ত্রাসবাদী অনেকে সহসভাপতি ও সহ সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছে।নীচের লিংকটি দেখতে পারেনঃ

কেলেংকারি

ছাত্রলীগকে, মুজিবকে যে এরা ভালোবাসেনা, এরা যে সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ শিক্ষাংগন চায়না তা বুঝতে দার্শনিক হওয়া লাগেনারে ভাই। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নিশ্চয়ই এ সন্ত্রাসবাদী ও চাঁদাবাজদের বুয়েট ক্যাম্পাসের ছাত্ররাজনীতির কবর রচনা করার সুযোগ দিবেননা। তাঁরা অতিশীঘ্রই এ কমিটি ভেঙ্গে নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক উপায়ে কমিটি গঠন করে আদর্শবাদী নেতাকর্মীদের সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে সুষ্ঠু রাজনীতির সুযোগ করে দিবেন, বুয়েট ছাত্র হিসেবে আমরা এইটুকু আপনাদের কাছে দাবি করতেই পারি। আশা করি আমাদের এ দাবি আপনাদের কাছে পৌছুঁবে।

-বুয়েট রাজনীতির একজন শুভাকাঙ্খী।