ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

আজ শনিবার বিশ্বব্যাপী কর্পোরেট ধনীদের বিরুদ্ধে র‍্যালি শুরু হয়েছে। ওকুপাই ওয়াল স্ট্রীট মুভমেন্ট সিডনি থেকে আলাস্কা হয়ে লন্ডন, ফ্রাঙ্কফুর্ট, ওয়াশিংটন ও নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত র‍্যালি করবে। অস্ট্রেলিয়ায় আজ শনিবার প্রায় ১০০০ জনের জমায়েত হয়েছে। তারা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো প্রদক্ষিণ করবে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী ৭৮টি দেশের ৮৬৮ শহরে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভকারীরা সংগঠিত হচ্ছে। সবাই নিজ নিজে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবে।

লন্ডনে ছাত্র বিক্ষোভের একজন সংগঠক বলেন, ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্তে ছাত্রদের মধ্যে এখনও ক্ষোভ আছে। গত এক বছরের চেয়েও বর্তমানে ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। শনিবার থেকে অকুপাই অকল্যান্ড নামে সংগঠন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। সম্প্রতি ইউরোপিয় পার্লামেন্টে একজন পোলিশ অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে কোনও ভাবেই ইউরোপকে বাঁচাতে হবে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে যুদ্ধের বার্তা আসন্ন। যদি ইউরো জোন অদৃশ্য হয়ে যায়, বা তাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়, তাহলে ইউরোপ কোনভাবেই টিকে থাকতে পারবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমস্ত প্রকল্পই এখন ঝুঁকির উপর।

এই অবস্থায় অনেকেই ভ্রু কুচকিয়েছেন। ইউরোপে যুদ্ধ? সবাই এই বিষয়টা উড়িয়েই দিয়েছেন। কিন্তু কেউ কেউ এটাকে সিরিয়াসলি ভেবেছেন। অনেকের যুক্তি হচ্ছে ইউরোপে কখনই যুদ্ধ হবে না। আবার অনেকেই বলছেন এর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ –

১. এখানে একটি অভ্যন্তরীন উপনিবেশবাদ কাজ করছে। বড় বড় কোম্পানিগুলো সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সংঘর্ষের একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু নয়া জাতীয়তাবাদ এটাকে হ্রাস করতে পারে। আবার বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, গ্রিক, আলবেনিয়া, মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া এরা প্রত্যেকেই মহান জাতি হিসেবে দাঁড়াতে চায়। কিন্তু এরকম কিছু হতে হলে কমপক্ষে একটা ছোট প্রতিবেশির সমর্থন অবশ্যই প্রয়োজন। এটা তাদের নেই।

২. আবার ইউরোপীয় নাগরিকদের মধ্যে যুদ্ধ উন্মাদনা তেমন একটা নেই। পৃথিবীর সবচেয়ে ভাল পরিবেশে তারা কেন মরতে চাইবে। তবে নতুন প্রজন্ম কাজের জন্য চাপ প্রয়োগ করবে। অভিবাসীরা তাদের পরিচয়কে বড় করে তুলবে। এটা একটা সংকট তৈরি করতে পারে।