ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ভাগ করার কথা অনেক দিন ধরেই আলোচনা হচ্ছিল। এমন করেই বলা হচ্ছিল যে বস্তিবাসী ও গরীব মানুষের পানি, স্যানিটেশন, গ্যাস ও বিদ্যুত নিশ্চিত করার জন্যে রাজধানীকে ১২ থেকে ১৫ টি সিটি কর্পোরেশনে ভাগ করা উচিত। এই দাবি বেসরকারি সংস্থাগুলো করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে।

কেননা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন অনেক বড় হওয়ায় কর্মচারী-কর্মকর্তারা সমস্ত জায়গায় নজর দিতে পারেন না। প্রতিটি ওয়ার্ড কমিশনকে কার্যকরি করার স্বার্থে এটিই হতে পারে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম একবার এরকম এক আলোচনা সভা আয়োজন করেছিল। ওদেরও দাবি ছিল সিটি কর্পোরেশনকে ১২ থেকে ১৫টি ভাগে ভাগ করা উচিত।

তবে শেষ পর্যন্ত ১২ থেকে ১৫ টি ভাগ নয়। ঢাকা সিটি করপোরেশন অবশেষে দু’ভাগ হচ্ছে। এখন থেকে ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন’ এবং ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ নামে আলাদা দুটি সিটি করপোরেশন হবে। দক্ষিণের আওতায় থাকবে ৫৬টি এবং উত্তরের আওতায় থাকবে ৩৬টি ওয়ার্ড। ঢাকা মহানগরীর তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুরকে উত্তরে রেখেই সিটি করপোরেশনের নতুন সীমারেখা নির্ধারণ করে সিটি করপোরেশন আইন-২০০৯ সংশোধনীর নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আমার প্রশ্ন হল এই দুইভাগ করার মাধ্যমে যে সমস্ত বস্তিবাসী ও গরীব মানুষের পানি, স্যানিটেশন, গ্যাস ও বিদ্যুত নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছিল এতদিন ধরে তা কি নিশ্চিত হবে?