ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

লিবিয়ার ত্রিপলিতে গাদ্দাফি মৃত্যুর পর সবাই যখন রাস্তায় নেমে নাচতেছিলেন, তখন একটি সতর্কতার বিষয়ও উঠে এসেছে। একজন একনায়কের পতন মানেই সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শেষ হয়ে যাওয়া নয়। যদিও চিলি থেকে ফিলিপাইন সমস্ত দেশেই এক নায়ক পতনের পর পর এক ধরণের গণতান্ত্রিক চর্চার উদাহরণ হিসেবে টানা যায়।

কিন্তু হতাশার বিষয়টিও রয়েছে। ১৯৯১ সালে সোমালিয়ার দীর্ঘ ২২ বছরের এক নায়ক মুহাম্মদ সিয়াদ বারের পতন হয়। পতনের চার বছর পর কেনিয়াতে তার মৃত্যু ঘটে। সোমালিয়া কিছু সময়ের জন্য এক নায়ক সরকারের একনায়কতান্ত্রিক চর্চা থেকে বেরিয়ে আসলেও, আদৌ তা শেষ হয়নি। বরং দীর্ঘ দিনের চর্চিত সংঘাতটা আজো রয়ে গেছে। মূলত লিবিয়ার মত গোত্রকেন্দিকভাবে বিভক্ত আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশও সোমালিয়া। ১৯৯১ সাল থেকে শুরু হওয়া সংঘাত এখন পর্যন্ত শেষ হয়নি। এখনও সেখানে নিড়ীহ জনগণ হয়রানির শিকার। সেই সাথে অভাব-অপুষ্টি কখনওই তাঁদের পিছু ছাড়ে না। শিশুদের মুখে হাসির বদলে কান্না, ভয় আর পেটে ক্ষুধা, তাঁদের মা-বাবার আহাজারিতে সব সময়ই সেখানকার বাতাস ভারী হয়ে থাকে। শুধু এই চিত্র নয়, সংঘাত, নৈরাজ্যের ও অভাবের করুণ চিত্র এখনও তাদের সঙ্গী।