ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

চীন সরকার দালাইলামাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের এই শান্তি পুরস্কারের কীর্তি-কলাপ নিয়ে বেশ জোরেসোড়েই কথা বলছিল। এটা আরও বেশি পরিস্কার হয় লিউ জিওবাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার আগে ভাগে, যখন চীন বেশ হুশিয়ারি অবস্থান আগেই জানিয়ে রেখেছিল। তারপরও জিয়োবাকেই পুরস্কার দেয় । চীনের মন্তব্য ছিল-একজন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্তকে পুরস্কৃত করার মাধ্যমে নোবেল কমিটি শান্তি পুরস্কারের নীতি লঙ্ঘন করেছে। এতে নরওয়ের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হবে।

নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁদেরই পাওয়ার কথা, যাঁরা জাতিগত সাম্য, আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি, নিরস্ত্রীকরণ ও বিশ্ব শান্তির পক্ষে কাজ করেছেন। এটাই ছিল আলফ্রেড নোবেলের শেষ ইচ্ছা। কিন্তু শান্তি পুরস্কারের জন্য লিউ জিয়াওবোর নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি তাঁর সেই ইচ্ছাকে অপমান করেছেন।

নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ইউরোপ ও চীনের এই শীতল যুদ্ধ বেশ উত্তেজনাও সৃষ্টি করেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভিতরে। তবে এই শীতল যুদ্ধ আরও বড় আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। সম্প্রতি চীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা আন্তর্জাতিক কনফুসিয়ান শান্তি পুরস্কার দেবে।

ডিসেম্বরে ৯ তারিখে দেওয়া হবে এই পুরস্কার। তবে পুতিন এই পুরস্কার গ্রহণ করবেন কিনা তা এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারই নিশ্চিত করেনি। অনেকেই ভাবছেন এই ঘটনা যদি ঘটেই নোবেল শান্তি পুরস্কারের মত আন্তর্জাতিক কনফুসিয়ান শান্তি পুরস্কার কি আদৌ বিশেষ কোনও অবস্থান তৈরি করতে পারবে? বা এটা কি চীন সরকারের হাস্যকর কোনও প্রজেক্টই হয়ে উঠবে কিনা?