ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 

ফেসবুকের কি বিদেশ নীতি আছে ?

২০০৮ সালের শেষের দিকে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ ২০০৭ সালের কলম্বিয়াতে একটি বিশাল র‍্যালি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। একটি ছেলে ফার্ক গেরিলার বিরুদ্ধে একটি ফেসবুক গ্রুপ বানায়। এর এক মাস পর ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখে কলম্বিয়ায় কয়েক মিলিয়ন লোক ফার্ক গেরিলার বিরুদ্ধে র‍্যালি করে।

এই ফার্ক গেরিলার বিরুদ্ধে র‍্যালিটিই প্রথম যা এখনকার ফেসবুক, টুইটার ব্যবহার করে আন্দোলন করা হচ্ছে। এখন এটি পিটিশন সংগ্রহ, মিটিং থেকে শুরু করে আন্দোলনের অনেক কিছুই শেয়ার করা হচ্ছে ফেসবুক এবং টুইটারে। এটি শুধু আরব বিশ্বেই নয়, স্পেন, ইসরাইল, ইন্ডিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক জায়গায় এই আন্দোলনের ধরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। সমস্ত জায়গাতেই ফেসবুক একটি বিশেষ থ্রেট হয়ে দাড়িয়েছে।

জুকারবার্গ এখন ফেসবুককে চীনে ব্যহার করার কৌশল বের করতে চাচ্ছেন। রাজনৈতিক কোনও উদ্দেশ্যে নয়, একেবারেই তারা সেবা পৌছে দিতে চাচ্ছেন চীনে।

তিন বছর আগে জুকারবার্গ কলম্বিয়ার যে বিষয়টি নিয়ে ভেবেছিলেন, ১৫ বছরের মধ্যে কলম্বিয়ার এই ঘটনাটিই হয়ত হবে প্রতিদিনের বিষয়।

সত্যিকার অর্থে দেখা যাচ্ছে তার ধারণা ভুল। কেননা ২০১১ সালটিই হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার বছর। ৮ বছরই হয়নি ফেসবুকে এখন ১ বিলিয়ন এক্টিভিস্ট। আর টুইটারে ১০০ মিলিয়ন এক্টিভ ইউজার। কিন্তু টুইটারে সাধারণত মিডিয়া, রাজনীতি, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তিবিদদের নেতাদের দেখা মেলে।