ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

ডেসটিনির নানা ধরনের প্রতারনার খবরে দিশেহারা এর সাথে জড়িত কয়েক লক্ষ সদস্য ও দেশবাসি। ইতিপূর্বে ইউনি পে-২ প্রতারণায় অনেকে সর্বশান্ত হয়।এর ধকল কাটতে না কাটতে আবার ও ডেসটিনি প্রতারনা। একযুগ থেকে ডেসটিনি তাদের জাল বিস্তারের মাধ্যমে অর্ধকোটি গ্রাহক সৃষ্টি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের এই ব্যবসা কখনও রাতের অন্ধকারে করে নাই। দিবালোকে কক্সবাজারের মতো জায়গায় টানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে,মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারনার মধ্য দিয়ে অনেক দিন থেকে জাঁকজমক পূর্ণভাবে তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।সকল সরকারের ঘনিষ্ট জনেরাও এর সাথে কম বেশি জড়িত ছিল এবং আছেন।আজকের এই সময়ে যদি ডেসটিনির কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠে তা হলে সেটা ১২ বছর পূর্ব হয় নাই কেন? যখন মানুষ সব হারিয়ে সর্ব সান্ত হয়েছে তখন কেন এ নিয়ে এত হৈচৈ! এখন যারা এই গুরু দায়িত্ব পালন করলেন তারা আগে কোখায় ছিলেন!আর সরকারের নির্দষ্ট সংস্থা /লোক বল রয়েছে এ গুলো দেখা শোনা করার জন্য। তা হলে তারা তাদের কি দায়িত্ব পালন করলেন? এটা কোন ছেলে খেলা নয় যে যা খুশি তা করলাম। প্রজাতন্ত্রের বেতন খেয়ে দায়সারা দায়িত্ব পালন করবে এটা হতে পারে না। যাই হোক কবি গুরুর কথায় ”অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা যেন ……”। তা হলে ডেসটিনির কার্যক্রম যদি নিয়ম বর্হিভূত হয় তা হলে তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার পূর্বে যারা দায়িত্বশীল হওয়ার পরও এ গুলোকে প্রশ্রয় দিয়েছে,যথাসময়ে যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে মানুষের অর্থ সম্পদের নিরাপত্তা বিধান করতে পারে নাই,তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।