ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আজকের তাজা খবর,পদত্যাগের পর সুরঞ্জিত এখন দপ্তরবিহীন মন্ত্রী । টাকার বস্তা নিয়ে র্দীর্ঘ টানা হেঁচড়ার পর সকল দায় স্বীকার করে মন্ত্রীর পদত্যাগের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে যে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল তার অবসান ঘটতে যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে সকলে বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছিল এবং এইরূপ মানসিকতার জন্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এবং সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছিল। তদন্তে নির্দোষ প্রমানিত হয়ে আবারও সহঅবস্থানে ফিরে আসতে পারতেন। কিন্তু এক দিন পর বিষয়টি কি দাঁড়াল! আমাদের ধারনা ছিল সরকারের/রাজনৈতিক কর্তাদের দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবতর্ন হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পরিবতর্নের হাওয়া লেগেছে। আসলে তা কিছুই না। স্বভাব চরিত্র আগের মতই, যেই লাউ- সেই কদু। যাই হউক এ ধরনের দৃশ্য দেখে দেখে আমরা অভ্যস্ত। এখন কথা হল এতদিন সুরঞ্জিত সেন তো একটি মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করতেন,ফাইল পত্রে সই করতেন,নিয়মিত অফিস করতেন। অগোচরে কি করতেন তা তো আর আমরা জানিনা তবে দৃশ্যমান অর্থের আমরা মনে করি উনি প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন। যে জনগনের টাকায় উনি পতাকাবাহী গাড়ী দৌড়াচ্ছেন, আরাম আয়েশী জীবন যাপন করছেন সে জনগনের জন্য অন্তত মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কিছুনা কিছু হলেও কাজ করার সুযোগ থাকত। কিন্তু এখন বিষয়টি কি দাঁড়াল! তিনি পূবের্র ন্যায় সকল সুযোগ সুবিধা বহাল তবিয়তে ভোগ করবেন কিন্তু যাদের টাকায় তিনি এই সুযোগ সুবিধা গুলো ভোগ করবেন তাদের জন্য ওনার কিছুই করতে হবেনা।

এক সময় আমরা শুনতাম আদমজী জুটমিল বন্ধ রাখলে সরকারের যে লোকসান হত; চালু রাখলে লোকসানের পরিমান আরও বেশী হত। মিল চালু রাখলে যে পরিমান বেতন প্রদান করতে হত বন্ধ রাখলেও সে পরিমান প্রদান করতে হত। কিন্তু মিল চালু রাখলে যে কর্মকাণ্ড হত তাতে এর সাথে জড়িতরা যে পরিমান দুর্নীতি করত এতে লোকসানের পরিমান বেশী হত। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে সরকার আদমজী জুটমিল বন্ধ করে দেয়। সুরঞ্জিত সেন এর ক্ষেত্রেও কি একই সূত্র প্রযোজ্য? উনি মন্ত্রী হিসাবে মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকলে দেশ/সরকারের যে ক্ষতি হত মন্ত্রনালয় বিহীন মন্ত্রী থাকলে যে ক্ষতির পরিমান কম হবে! তবুও উনি মন্ত্রী থাকবেন। মন্ত্রীত্বকালে বলে কথা।।