ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

রোহিঙ্গা সমস্যা, আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া কেন? সম্প্রতি ইউএনএইচসিআর বলছে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খোলা রাখার জন্য। আর কিছু অতি উৎসাহি বিভিন্ন ব্লগে ইনিয়ে বিনিয়ে বলছে, .. সব রহিঙ্গাদের স্থায়ীভাবে আনতে চাচ্ছে, আর রাখাইনদের পাঠিয়ে দিবে বার্মায়।

মামার বাড়ীর আবদার.? পৃথিবীর কোন দেশ শরানার্থীদের স্থায়ী আশ্রয় দেয়.? বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘন বসতি দেশ। নিজেদেরই যায়গা নাই ..

ইরান, ইরাক, তুরস্ক, আজারবাইজান কোন কুর্দি বা আফগান কে ঢুকতে দেয়নি। মিশর, লেবানন কোন ফিলিস্তিনি বা গাজা স্ট্রিপের বাসিন্দাদের ঢুকতে দেয়নি জাতে মুসলমান হলেও।
জর্ডন ও লেবানন দিয়েছিল কিন্তু পরে শক্তিপ্রয়োগ করে খ্যাদানো হয়েছিল, ৭০ ও ৮০ দশকে।

বাঙ্গালি অনেক মহৎ হৃদয়, তিন লাখ রোহিঙ্গা এই দেশে বসবাস করতে দিয়েছে। শিবিরে ৩৫ হাজার সহ অলরেডি তিন লাখ রোহিঙ্গা এই দেশে বসবাস করছে অবৈধ ভাবে।
এরা বেনামে ন্যাশনাল আইডি, পাসপোর্ট বাগায় নিছে। এরা বাঙ্গালি হিসাবে বিদেশে যেয়ে দুষ্কর্মে জড়ায়, অপবাদ-বদনাম হয় বাঙ্গালিদের।

যারা ছলে বলে বলছে সব রহিঙ্গাদের স্থায়ী ভাবে আশ্রয় দেয়ার জন্য, তাদের ভেতর পাকি মতলব কাজ করছে। পাকিস্তান প্রায় ১০ লাখ আফগান (পশতুন) আশ্রয় দিছিল পরবর্তীতে তাদের ভারতের বিরুদ্ধে গেরিলা হিসাবে কাজে লাগানোর জন্য।ভারত তো দূরের কথা, নিজেদের কোন কাজে লাগেনি। এখন পাকি সন্ত্রাসীদের সাথে হাত মিলিয়ে পাকিদেরই বোম উপহার দিতেছে, আর্মি, আইএসআই কে বিভক্ত করে ফেলেছে। কদিন পর দেশটাই হারাবে।পাকিরা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝেছে। আর মতলবি জেহাদি পাকিরা দাঁত বের করে হাসছে।

এদেশের স্যাডিষ্ট পাকি মতলববাজ জেহাদী দাঁত অলরেডি দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন ফোরামে। বার্মায় গণতন্ত্রে বাতাস লাগতে শুরু করছে মাত্র। এই সময়ে দাঙ্গা লাগানো সুপরিকল্পিত, মতলবিদের কাজ।রোহিঙ্গারা তো স্বাধীনতা চাচ্ছে না।

বাংলাদেশের উচিত বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করে রোহিঙ্গা ইসু সমাধান করা, এদেশের রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে চাপ সৃষ্টি করা।