ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

অপহরন বা ধর্ষনের শিকার (নারী) ছবি ছাপিয়ে কাগজের কাটতি বাড়ানো, এই হচ্ছে সাংবাদিকতা নামের নৈতিকতা।

মানবজমিন

ডঃ সাজিয়া
ছবিতে ভিক্টিমদের চোখ পত্রিকা ঢাকেনি, আমি নিজেই ব্ল্যাক করে দিলাম।

রিপোর্টারদের নিন্দা জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কিছু পত্রিকার কান্ড দেখলে সত্যই অবাক হতে হয়। তারা অপহরনকারি বা ধর্ষনকারির ছবি না ছাপিয়ে নারী ভিক্টিমের ছবি ছাপায়।
সুধু তাই না নাম-ধাম ঠিকানা সব সব ডিটেইলস ছাপিয়ে দেয়া, এটাকে চরিত্রহননের উলংগ তান্ডোব ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। ৯০ এর দশকে ইত্তেফাক প্রায়ই এই স্টুপিড কাজটা করতো। ইদানিং করছে মানবজমিন।

গত রবিবারের প্রথম আলো,
ভিক্টিম নিহত ডাঃ সাজিয়ার ছবি সহ নোংড়াভাবে হেডিং দিয়ে রিপোর্টটি করা হল। এমনকি শিরমামে খুনিকে আপনি (করেন) বলে?
এখানে ভিক্টিমের ছবি না দিয়ে খুনির ছবি প্রাধান্য পাওয়া উচিৎ ছিল।
2-12-12 ই-প্রথম আলো শেষ পৃ দেখুন।

কিছুদিন আগের আরেকটি ঘটনা।
আর ১৫ সেপ্টেম্বরের মানবজমিন দেখুন

অপহরন থেকে উদ্ধার পাওয়া দুই কলেজ ছাত্রীর ঘটনা নিয়ে রিপোর্টি দেখুন।
ধর্ষন বা অপহরনের শিকার কারো ছবি ছাপানো নিয়ে কি কোন কোড অফ কনডাক্ট নেই সাংবাদিকদের মাঝে?

অপহরন কিভাবে করলো, মুক্তিপন দাবি, ধরা কিভাবে পড়লো এসব অত্যন্ত দায়সারা ভাবে লেখা হল।
কিন্তু পুরো পাতা ভরে ফেলল ভিক্টিমের নাম ঠিকানা দিয়ে, যাতে তাদের বাকি জীবন দুর্বিসহ অন্ধকার হয়ে যায়। রিপোর্টটি দেখুন
ছাত্রীদের ছবি তো দিলই, এরপর ..
নাম
কলেজের নাম,
পিতার নাম,
বাসার ঠিকানা,
রাস্তার নাম, বাসার নং,
পিতার চাকুরিস্থল।

এর পরও থামেনি।
জেলা, থানা, গ্রামের বাড়ীর পুর্ন ঠিকানা।

এই হচ্ছে সাংবাদিকতা নামের নৈতিকতা।
আমাদের সাংবাদিক, সম্পাদক এরা কবে মানুষ হবে?