ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

প্যারিসে তিন কুর্দি নারীকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টায় তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তিন নারীর একজন হলেন কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির pkk সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তার নাম সাকিনা কানসিজ। নিহত অন্যজনের নাম ফিদান দোগান (৩২)। তিনি কুর্দি আন্দোলনের নেত্রী। তৃতীয় নিহতের নাম-ঠিকানা তাৎক্ষনিক ভাবে জানা যায়নি। গতকাল BBC, আল জাজিরা সহ সবগুলো আন্তজাতিক সংবাদ মাধ্যমে এ খবর দেয়া হয়। এতে বলা হয়, তুরস্কে কুর্দি আন্দোলনের সঙ্গে তারা দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। তাদের প্যারিসে কুর্দিশ ইনস্টিটিউটের ভেতরে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আততায়ীরা ছিল দক্ষ ও পেশাদার। পুলিশের এক সূত্র বলেছেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে মনে হতে পারে এটা কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তদন্ত ও অনুসন্ধান চলছে। তাতে বেরিয়ে আসবে আসল ঘটনা কি।

প্যারিসে বিক্ষোবরত কুর্দিরা


ঘটনার পর প্যারিসে বিক্ষোবরত কুর্দিরা (ছবি গালফ নিউজ ও রয়টার)

পূর্ব তুরস্কের দিয়ারবাকির থেকে কুর্দিদের একটি সূত্র বলেছে, তুর্কি সরকারই এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। তুরস্কের সরকারের বিরুদ্ধে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি দশকের পর দশক লড়াই করে যাচ্ছে।
মধ্যযুগে মুসলিম জাগরনে কুর্দিদের বীরত্বের কাহিনী এক বিশাল ইতিহাস, বীর কুর্দি নেতা গাজী সালাউদ্দিনের বীরত্বের কথা পড়েছিলাম ইতিহাসে। তুরষ্ক, ইরান ও ইরাকের মাঝে কুর্দিস্তান হত একটা বিশাল সুন্নি সংখাগরিষ্ঠ শক্তিশালি মুসলিম দেশ। কিন্তু ইতিহাসের পালাবদলে তারা চিপায় পরে যায়।
বিবিসি জানিয়েছে এজাবৎ তুর্কিরা বিভিন্ন ভাবে প্রায় চল্লিশ হাজার কুর্দি হত্যা করেছে। ইরাকি সাদ্দাম নার্ভ গ্যাস দিয়ে লক্ষাধিক কুর্দি মেরেছিল, ইরান সবচেয়ে বেশী কুর্দি মেরেছে। বীরের জাতি কুর্দিরা এখন খুবই হতভাগা।

খুনি তুর্কিরা আমাদের দেশে এসে মানবতার সবক দেয় আর নিজেরা চালায় গনহত্যা, গুপ্তহত্যা।