ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 


ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য প্রসিকিউটর হিসেবে তুরিন আফরোজকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষকে ধন্যবাদ। অতি প্রয়জনিয় একটি পদক্ষেপ নেয়ার জন্য।

এরা আগে সরকার আইনের ফাঁকে বেরিয়ে যাওয়া কাদের মোল্লাকে যথাযথ শাস্তির লক্ষে শাহাবাগের দাবি অনুযায়ি কয়েকটি আইন গঠন, সংশোধন করে দ্রুততার সাথে সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়েছিল।
কিছু দিন আগে ১২ ফেব্রুয়ারি হোসেন-ই-মঞ্জুর ও সানিয়ান রহমানকে প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে বিভিন্ন ফোরামে আপত্তি আসাতে তা স্থগিত করা হয়। ট্রাইবুনাল গঠন সুরুতে অনেক ত্রুটিপুর্ন সিদ্ধান্ত ছিল। আদালত ভবন করা হয়েছিল সচিবালয়ের পিছনে পরিবহন পুলের সাথের একটি টিনশেড ঘর, এক বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল পরে জানাযায় এই লোক আলবদর নেতা, বাচ্চুরাজাকারকে পালিয়ে যেতে দিয়েছিল। পরে অবস্য সর্বমহলের চাপে সবই সংসোধন হয়েছিল।
তুরিন আফরোজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এবং বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে অধ্যাপনা করছেন। তিনি একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। টেলিভিশন টকশো তে তার যুক্তিপুর্ন মতামত বেশ জনপ্রিয়।

আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩-এর ৭(১) ধারা অনুসারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য তুরিন আফরোজকে প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে। যোগ দেওয়ার তারিখ থেকে তাঁর এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

নবনিযুক্ত প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আইন, বিচার ও সংসদ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা আজ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে।

প্রসিকিউশন টিমে মেধার দুর্বলতা আমরা আর দেখতে চাই না। প্রয়োজনে আরও মেধাবীদের নিয়োগ চাই।