ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

শারমিন! এইসব ফরমায়েসি লেখার কোন গুরুত্ব নেই। এইসব আবর্জনা বাঁশের কেল্লায় পাওয়া যায়। ৭১ এ বয়স কত ছিল যে ২৭ সে মার্চ জিয়ার ভাষন শুনে মুগ্ধ হয়ে গেলেন!

কিভাবে ফরমায়েসি মিথাচার করতে গিয়ে জেলহত্যার খুনিদের সাফায় গাইলে, নিজ বাপের খুনিদের কথা ভুলে গেলেন! ৪৩ বছর পর, মায়ের মৃত্যুর মাত্র অল্পদিন পর এই ফরমায়েসি লেখা লিখলেন। ৬ মাস আগেও মা বেঁচে থাকলে এই মিথ্যাচার লিখায় মায়ের রেফারেন্স টানার জন্য মা জোহরা তাজউদ্দীনের হাতে চড় খেতেন।

পাকিস্তানি হানাদার আর্মি অফিসাররা যে কথা বলার সাহস পায়নি সেই মিথ্যাচার করে বসলেন তাজউদ্দিন কন্যা। এত হিংসা এত বিদ্বেষ কিভাবে যে মনে পুষে রাখলেন? ভুলে গেছেন যে মুজিব হত্যাকারি ও জেলহত্যাকারিরা একই গোত্রের?

এরচেয়ে জল্লাদ টিক্কা খান ভাল বলেছিল, স্পষ্টভাবেই একটি সংবাদ সম্মেলনে –
“আমি নিজে ওয়ারলেসে শেখ সাহেবকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে শুনলাম, আমরা তাকে সন্ধার পর থেকে বাড়িটি নজরে রাখছি। কারণ, শেখ সাহেবের কণ্ঠস্বর আমি ভালো করেই চিনতাম। এ ঘোষণা তখন দেশদ্রোহিতার শামিল ছিল। সেক্ষেত্রে শেখ সাহেবকে গ্রেপ্তার করা ছাড়া আমার কোনো বিকল্প ছিল না”। [-টিক্কা।]

এই ওয়ারলেস ঘোষনার রেকর্ড ও স্ক্রিপ্ট একটি ইপিআর এ এবং আরেকটি চট্টগ্রামে জহুর আহমদ ও অন্যান্নদের এর কাছে পৌছায়, যাতে করে তা চট্টগ্রাম বেতার সহ অন্যান্ন মুক্ত বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতে পারে, যদিও আতঙ্ক ও বিশৃক্ষল চট্টগ্রামে তা জহুর আহমদ এর কাছে না এসে এম, এ, হান্নান এর কাছে পৌছে।

টিক্ক্যা খান
যে লোক প্রাণ দিয়ে দেশকে ভালোবেসে গিয়েছেন তাঁকেই আজ তার পিতার খুনিদের ফরমায়েসে এই মহান নেতাকে বিতর্কিত করতে বাধছে না শারমিনদের।

এই ভিডিওতে ২৫শে মার্চের সেই ঘটনার বর্ননা শুনুন কামাল হোসেন এবং তাজউদ্দীনের স্ত্রীর মুখে- দেখুন শারমিনের দাবীর অসারতা।