ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

পুড়ে যাওয়া শিশুদের মায়ের আর্তনাদে আল্লাহর আরশ কি কেঁপে উঠেছিল?
হৃদরোগে (বা ওভারডোজ মা(d)ক সেবনে) মারা গেল জিয়ার পুত্র কোকো। ইন্নালিল্লাহে …. .. রাজিয়ুন।

আরাফাত রহমান কোকো। জিয়া পুত্র। ?
তার ভাই তারেক বা পিতা মাতা কারো চেহারার সাথেই মেলেনা, গায়ের রং ও মেলেনা। শুধু গায়ের রং মেলে পাকিস্তানি মাকরানি কর্নেল জানজুয়ার সাথে। ১৯৭১ -এ ২৭ মার্চ জিয়ার ঘোষনার সময় জিয়া সপরিবারে চট্টগ্রামে ছিলেন। জিয়ার গাড়ি সিমান্তের দিকে যেতে থাকলে খালেদা স্বামীর সাথে যেতে চাননি। অজ্ঞাত কঠিন বিপদসঙ্কুল পথে একাই ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে চলে গেলেন। ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানেই কর্নেল জানজুয়ার সাথে বা কাছাকাছি অবস্থান করেন।

এখন দেখা যাচ্ছে কোকোর প্রতি জিয়া পরিবারের ছিলনা তেমন পারিবারিক বন্ধন বা মনের টান। খালেদা দফায় দফায় বিদেশ গেলেও কখনো অসুস্থ ছেলের সাথে দেখা করতেন না। (দীর্ঘ ৮ বছরে মাত্র ১ বার দায়সারা দেখা হয়, খালেদার মালয়েশিয়া সফরের সময়) তার ভাই তারেক দীর্ঘ ৮ বছরে বার বার দুবাই, মক্কা ঘোরাঘুরি করলেও একবারও ছোট ভাইয়ের সাথে দেখা করেননি। ছোটভাইও কখনো যায়নি লন্ডনে অসুস্থ ভাইকে দেখতে।

২ বছর আগে সিমেন্স আন্তর্জাতিক অর্থ মামলায় ৬ বছর জেলদণ্ড হয়েছিল, পলাতক ফেরারি হিসেবে মালয়েশিয়ায় নিজস্য বিলাসবহুল সেফ হোমে একপ্রকার পারিবারিক অবহেলার মধ্যে ছিল এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃত দুর্নীতিবাজ। দেশে থাকাকালিনই সে মাদকাসক্ত ছিল। তার প্রমান ২০০৭ -এ তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়ার পর তার প্রবল কাঁপুনি রোগ দেখা দেয় (এর টিভি ফুটেজ খুঁজলে পাওয়া যাবে), এধরনের কাঁপুনি হয় একিউট মাদকসেবি হঠাৎ মাদক বন্ধ করলে। কারাগারে মাদক এভেলেবল। পরে কারাগারে সে ভালই ছিল।

পারিবারিক বন্ধন বা মনের টান যে ছিলনা, তা কিছুক্ষন আগে প্রমানিত হল। ভাইয়ের মৃতুতেও কোন বিকার নেই বড়ভাই তারেকের।
“তারেক রহমান মালয়েশিয়া যাচ্ছেন না”। – প্রথম আলো অনলাইন।

সর্বশেষ খবর – ম্যাডাম খালেদা বলেন – “যা কিছুই ঘটুক (মানুষ পোড়ানোর) অবরোধ আন্দোলন চলিবে”, জোড়দার করার আহবান!
পুত্রশোকে? বিপর্যস্ত খালেদা জিয়া ইনজেকশান নিয়ে ঘুমানোর জাস্ট আগে! এ কি পুত্রশোকের নমুনা?