ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বুয়েটের সেই জামাতি শিক্ষককে অবশেষে পুরষ্কৃত করা হল! আদালত অবমাননাকারি ট্রাইবুনাল বিরোধী মন্তব্য, সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের পুরষ্কার হিসেবে।
আর প্রতিবাদকারি দুই বুয়েট ছাত্রের শিক্ষাজীবন আজীবনের জন্য শেষ করে দেয়া হল।
স্বাধীন বাংলাদেশে এও দেখে যেতে হল! কোথায় আদালত .. কোথায় রিট …!

সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যুদ্ধাপরাধ সমর্থক প্রকাশ্য দেশদ্রোহী মনন্তব্যকারি জামাতি-হিজবুতিদের রাষ্ট্রের বেতনে প্রতিপালন করার কী দরকার বুঝি না।
একজন উচ্চশিক্ষিত বুয়েট শিক্ষকের এহেন অধপতন দেখে বিস্মিত হয়েছিলাম। রাজাকার কামরুর মৃত্যুতে আদালত সম্মন্ধে তার কী নীচু শ্রেনীর ভাষা! -“জয় ইন্ডিয়া, জয় মাকালি, জয় অবিচার” রাস্তার একটা টোকাইও মনে হয় উনার চেয়ে ভাল মানসিকতা রাখে।
সেই জামাতি শিক্ষক এখন আর ক্যাম্পাসে আসে না, এ যাবৎ কোন জনসমক্ষে বা সাংবাদিকের কাছে তার অপকর্মের কোন ব্যাখ্যা দেয়নি, সাংবাদিকরা ফোন করে পায় না। ফেসবুক আইডিও ডিএক্টিভেট করে রেখেছে। এনওসি নিয়ে বিদেশে পালানোর ধান্দায় আছে বোঝা যায়। সে যদি অপরাধী না হয়ে থাকে তাহলে এত লুকোচুরি কেন?
আর কেন এই ফালতুর জন্য প্রতিবাদকারি দুই বুয়েট ছাত্রের শিক্ষাজীবন আজীবনের জন্য শেষ করে দেয়া হল। এই মুহূর্তে এই অনাচার অবিচারের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন চাই। প্রচলিত সিস্টেমে ন্যায় বিচার পাওয়া সম্ভব নয় মনে হলে যে কেউ রিট আবেদন করতে পারে।