ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ছিটমহল সংক্রান্ত “সীমান্ত বিল” গতকাল বুধবার সর্বসম্মতভাবে পাস হলো ভারতের রাজ্যসভায়।
প্রথমে তীব্র বিরোধিতা থাকায় আসাম সিমান্ত বাদ দিয়ে বিল সাবমিট করা হচ্ছিল,
পরে কংরেসের প্রবল চাপে আসামকে অন্তর্ভুক্ত রেখেই ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা মঙ্গলবার সীমান্ত চুক্তির বিল অনুমোদন দিয়েছে। ফলে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সীমান্ত চুক্তি পাস হল রাজ্যসভায়। আড়াই ঘণ্টা বিতর্কের পর সংবিধান সংশোধন বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হয়।

অদ্ভুত ব্যাপার, আগে এত বিরোধিতা থাকার পরও সরকারি দল, বিরোধী দল, স্বতন্ত্র সহ সভায় উপস্থিত সদস্যের সবাই বিলের পক্ষে ভোট দেন। এক অবাঙালি স্বতন্ত্র সদস্য পরিষ্কার বাংলায় ‘শোনো, একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি… বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ’ গানটি গাইতে শুরু করেন। গাইতে গাইতে তিনি কেঁদে ফেলেন।
বিরোধী কংগ্রেসের প্রবীণ সদস্য কর্ণ সিং বলেন, ‘ইন্দিরা গান্ধীর মন্ত্রিসভার একমাত্র সদস্য হিসেবে আমি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সাক্ষী।’ বঙ্গবন্ধুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি।

এই চুক্তির ফলে
বাংলাদেশ পাবে ১১১ট ছিটমহলের মোট ১৭,০০০ একর জমি।
ভারত পাবে ৫১ ছিটমহলের মোট ৭,৫০০ একর জমি।
এছাড়া দুই দেশের মধ্যে সাড়ে ছয় কিলোমিটার অচিহ্নিত সীমান্তের রেখাও টানা হবে। এই চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে দু’দেশের মানচিত্রেও কিছুটা পরিবর্তন আসবে।