ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 


মোবাইলে প্রেম, এরপর একটি পরকিয়ার মত ঘটনা, পরে পরস্ত্রী নিয়ে পলায়ন, এরপর বাকবিতন্ডা পরে একটি পারিবারিক সালিশে বৌ ফেরত। কিছুদিন পর আবার স্ত্রী নিজেই প্রেমিকার সাথে চলে যাওয়া, এরপর পরকিয়া, বউ অপহরনের অভিযোগ, আবার বাড়ির উঠানে সালিশ। বিচারে অভিযুক্ত প্রেমিককে পিটুনি (যদিও অভিযোগ বস্ত্রহরন) উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় অকথ্য গালি এরপর তার মা বাধা দিতে আসলে ধাক্কাধাক্কি .. মারধর .. বাধাদান, হট্টগোলের ভেতর মায়ের বস্ত্র বিচ্যুত (অভিযোগ করা হয় বিবস্ত্র করে নির্যাতন) অবস্য মামলা হয়েছে ধর্ষনের, নারীশিশু নির্যাতন আইনে। (বাড়ীর উঠনে এত লোকজনের সামনে ধর্ষন?) উভয় পক্ষই প্রভাবশালি, রেমিটেন্সে ব্যাঙ্কভর্তি। থানায় কত কঠিন মামলা করা যায়, যতটাকা লাগুক। উভয়পক্ষই থানায় দোড়াদৌরি .. এভাবে ৫ দিন চলে যায়।

এরপর অপেক্ষাকৃত প্রভাবশালি পক্ষ কালিহাতি বাসষ্ট্যান্ডে লোকজন জড়করে খেপিয়ে তুলে, ফেবুতে অনলাইন পত্রিকার ভুয়া খবর-ছবি দেখিয়ে বলে ছেলের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে ধর্ষন করা হয়েছে! এতবড় ঘটনা আমাদের এলাকায়? আমরা তো চুপ থাকতে পারি না।

এরপর রাস্তা অবরোধ, বিক্ষোব, ভাংচুর। পুলিশের পিটুনি, ঢিল-পাটকেল নিক্ষেপ, থানা আক্রমন … এরপর গুলি .. ব্যস্ত ময়মনসিংহ রোড ৪ ঘটা বন্ধ, ২০০ গাড়ী ভাংচুর, ৩ জন নিরিহ লোকের মৃত্যু। এরা জানলোই না কি “কারনে শহিদ হইলাম”।

ছবি, সুত্র – প্রথমআলো।