ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 


পৃথিবীর প্রায় সব বড় শহরেই মেট্রোরেল আছে, এলিভেটেড, সাবওয়ে (পাতাল) সারফেস ও আছে। এসবের অনেক লাইনই কমবেশী জনবহুল শহরের হাসপাতাল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়েই যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথেই থাকে মেট্রোরেল ষ্টেশন, যা সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেই স্টপেজ হয়। কোরিয়ার সাবওয়ে হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম উন্নত মানের ও টেকনিক্যালি সাউন্ড, পরিচ্ছন্ন রেল সাবওয়ে। এর সিউল শহরের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়েরই সাবওয়ে স্টেশন আছে। স্টেশনের নাম সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেই থাকে। এসব লাইন গেছে কারো গা ঘেষে কারো অল্প পাশ দিয়ে। কিন্তু রেলস্টেশন আছেই। বাদ নেই।

কিন্তু ঢাবির কী সমস্যা বুঝি না! ঢাবি, ঢামেক ও বুয়েটের ভেতর দিয়ে তো কিছুদিন আগেও রেলগাড়ী চলত। চবির ভেতরে ও বাকৃবির ঠিক মাঝ দিয়ে ঢাকা ময়মন্সিংহ রেললাইন, চলছে। কারো কোন অভিযোগ ছিলনা। একটি আন্তর্জাতিক মানের গবেষনা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল ICDDRB র পাস দিয়ে দেশের সবচেয়ে ব্যাস্ত ডুয়েলগেজ ডাবল রেল লাইন। কোন সমস্যা হয়না। কিন্তু নকশা পরিমার্জন, সয়েলটেষ্ট শেষে পাইলিং কাজ সুরু হবে। এমমন সময় ঢাবির কিছু ছাত্রের “রেলচাপা মৃত্যুভয়” “মনোযোগ হারাবে” মনে হল, এরপর আন্দোলন।

ঢাকা মেট্রোলাইন যাবে বেশীরভাগ ওভারহেড, আর সারফেসের লাইনে ব্যারিয়ার দেয়া থাকবে। মেট্রোরেল হবে শহরের সবচেয়ে সেইফ বাহন। আত্মহত্যা ছাড়া দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। এর আগে বিমানবাহিনী তেজগা পুরাতন বিমানবন্দরের বাইরে বিজয় সরনির উপর মেট্ররেল যেতে বাধা দিয়েছিল। পরে এদের তীব্র বাধার মুখে মেট্রোরেল লাইন নকশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হইয়েছিল, তারা রোকেয়া স্মরনির বিমানঘাটির পাস দিয়ে রুট যেতে কিছু বললো না, অথচ অকারনে জেদের বসে বিজয় সরনির উপর রুট যেতে বাধা দিল। এই ফালতু কারনে মূল্যবান ৪টি বছর পিছিয়ে যায় মেট্রোরেল বাস্তবায়ন। এখন ঢাবি আবার নতুন কাহিনী সুরু করল।