ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 


নারায়নগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাংসদ সেলিম ওসমান

যেহাদি চেতনার কত পাওয়ার! “লোকজন মাইকে ঘোষনা শুনে স্কুলে প্রধান শিক্ষককে ঘিরে রেখেছিল, যাতে মাষ্টার মশাই পালিয়ে যেতে না পারে। এজন্য তারা জুম্মার নামাজ পর্যন্ত পড়তে পারেনি!“ আজ নারায়নগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাংসদ সেলিম ওসমানের একটি বক্তব্যে … জুম্মার নামাজের চেয়ে কাফের মারা বেশী সোয়াব! অথচ ফজরের নামাজে মুয়াজ্জিন এত ডাকাডাকির পরও এসি লাগানো মসজিদেও দুই কাতার পুর্ন হয় না।

“আল্লাহর কটাক্ষকারীর সাজা হয়েছে। আমি যদি মরেও যাই .. ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না” সাংসদের এই দম্ভক্তি থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে মসজিদের মাইকে কার নির্দেশে ব্যাবহৃত হয়েছিল, শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা কুৎসা রটানো হয়েছিল ।
মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন উপস্থিত! এরপরও বলে – “কে বা কারা এখান থেকে মাইকিং করলো আমরা জানি না, মাইকে কি বলা হয়েছিল তাও মনে নেই”!

হ্যাঁ, যেহাদি প্রয়জনে মিথ্যা বলাও জায়েজ।